বগুড়ার শেরপুরে ডিগ্রি ও সার্টিফিকেটবিহীন কথিত চিকিৎসকের চেম্বারে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় চেম্বার থেকে নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এবং অপারেশনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ অনুযায়ী ওই ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে শেরপুর পৌরসভার স্যানালপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি সুনীল কুমার বিশ্বাস, তিনি রামচন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা ডিগ্রি বা সনদ ছাড়াই চিকিৎসার নামে রোগী দেখতেন সুনীল কুমার বিশ্বাস। তিনি রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ওষুধ প্রেসক্রিপশন এবং শল্য চিকিৎসাও করে আসছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
অভিযানে তার চেম্বারে তল্লাশি চালিয়ে নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ বিভিন্ন ওষুধের পাশাপাশি অপারেশনের সরঞ্জামাদি পাওয়া যায়। এসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে দণ্ড দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুজ্জামান হিমু। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আমিরুল ইসলাম। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় শেরপুর থানা পুলিশের সদস্য ও বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসার মতো গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর পেশায় অননুমোদিত ব্যক্তির কার্যক্রম জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এ ধরনের অবৈধ চিকিৎসা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
শেরপুর নিউজ প্রতিবেদকঃ 
























