১০:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

এলপিএল শিরোপার লড়াইয়ে চ্যাম্পিয়ন গল গ্যালান্টস

 

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) লিগ পর্বে সবার ওপরে থেকে ফাইনালে উঠেছিল জাফনা কিংস। দলে বাংলাদেশের দুই তারকা সাকিব আল হাসান ও তাওহীদ হৃদয় থাকায় বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীদেরও বাড়তি আগ্রহ ছিল দলটিকে ঘিরে। তবে শিরোপার লড়াইয়ে গল গ্যালান্টসের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে জাফনাকে।

কলম্বোর আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ফাইনালে বল হাতে দারুণ পারফরম্যান্স দেখান চারিথ আসালাঙ্কা ও এশান মালিঙ্গা। তাদের যৌথ ছয় উইকেট শিকারে জাফনাকে মাত্র ১২৩ রানে অলআউট করে গল। পরে ২৫ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় তারা। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো এলপিএলের শিরোপা জেতে গল গ্যালান্টস।

ফাইনালে তিন উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় শীর্ষে উঠে যান এশান মালিঙ্গা। পুরো আসরে ৯.৩২ ইকোনমি রেটে তার শিকার ১৭ উইকেট। ফাইনালে চারিথ আসালাঙ্কার সঙ্গে কার্যকর জুটি গড়ে জাফনার মিডল অর্ডারকে চাপে ফেলে দেন তিনি।

জাফনার ব্যাটারদের মধ্যে একমাত্র কামিল মিশারাই ২৫-এর বেশি রান করতে সক্ষম হন। ১৩তম ওভারে মালিঙ্গার বলে আউট হওয়ার আগে ৩২ বলে ৪১ রান করেন এই উইকেটকিপার-ওপেনার। বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটারও ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। তাওহীদ হৃদয় ১০ বলে করেন ১০ রান, আর সাকিব আল হাসান ১৩ বলে করেন ৯ রান। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫ রান আসে চামিন্দু বিক্রমেসিংহের ব্যাট থেকে, তিনি খেলেন ১৬ বল।

এদিকে দুই হাতে স্পিন করতে পারা থারিন্ডু রত্নায়েকেও বল হাতে কার্যকর ছিলেন। ১৪ রান খরচ করে তিনি তুলে নেন দুটি উইকেট।

১২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই স্যাম হার্পারকে হারায় গল। এরপর টম রজার্সের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। ২৭ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার। তবে নবম ওভারে সাকিব আল হাসান পরপর দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা ফেরান। তার শিকার হন রজার্স ও দিনুড়া কালুপাহানা, যিনি ১৯ বলে ৩১ রান করেছিলেন।

এরপর চামিকা করুণারত্নে ফিরলেও গলের জয়ের পথে আর কোনো বাধা তৈরি করতে পারেনি জাফনা। দাসুন শানাকা ও সহান আরাচ্চিগে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। শেষ পর্যন্ত ২৫ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে গল গ্যালান্টস এবং প্রথমবারের মতো এলপিএলের ট্রফি নিজেদের করে নেয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

জাফনা কিংস : ১২৩/১০ (১৯.৩)
গল গ্যালান্টস : ১২৬/৫ (১৫.৫)

ফলাফল : গল গ্যালান্টস ৫ উইকেটে জয়ী
ম্যাচ সেরা : চারিথ আসালাঙ্কা
সিরিজ সেরা : কামিল মিশারা

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

এলপিএল শিরোপার লড়াইয়ে চ্যাম্পিয়ন গল গ্যালান্টস

Update Time : ০৭:৩৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

 

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) লিগ পর্বে সবার ওপরে থেকে ফাইনালে উঠেছিল জাফনা কিংস। দলে বাংলাদেশের দুই তারকা সাকিব আল হাসান ও তাওহীদ হৃদয় থাকায় বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীদেরও বাড়তি আগ্রহ ছিল দলটিকে ঘিরে। তবে শিরোপার লড়াইয়ে গল গ্যালান্টসের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে জাফনাকে।

কলম্বোর আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ফাইনালে বল হাতে দারুণ পারফরম্যান্স দেখান চারিথ আসালাঙ্কা ও এশান মালিঙ্গা। তাদের যৌথ ছয় উইকেট শিকারে জাফনাকে মাত্র ১২৩ রানে অলআউট করে গল। পরে ২৫ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় তারা। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো এলপিএলের শিরোপা জেতে গল গ্যালান্টস।

ফাইনালে তিন উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় শীর্ষে উঠে যান এশান মালিঙ্গা। পুরো আসরে ৯.৩২ ইকোনমি রেটে তার শিকার ১৭ উইকেট। ফাইনালে চারিথ আসালাঙ্কার সঙ্গে কার্যকর জুটি গড়ে জাফনার মিডল অর্ডারকে চাপে ফেলে দেন তিনি।

জাফনার ব্যাটারদের মধ্যে একমাত্র কামিল মিশারাই ২৫-এর বেশি রান করতে সক্ষম হন। ১৩তম ওভারে মালিঙ্গার বলে আউট হওয়ার আগে ৩২ বলে ৪১ রান করেন এই উইকেটকিপার-ওপেনার। বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটারও ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। তাওহীদ হৃদয় ১০ বলে করেন ১০ রান, আর সাকিব আল হাসান ১৩ বলে করেন ৯ রান। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫ রান আসে চামিন্দু বিক্রমেসিংহের ব্যাট থেকে, তিনি খেলেন ১৬ বল।

এদিকে দুই হাতে স্পিন করতে পারা থারিন্ডু রত্নায়েকেও বল হাতে কার্যকর ছিলেন। ১৪ রান খরচ করে তিনি তুলে নেন দুটি উইকেট।

১২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই স্যাম হার্পারকে হারায় গল। এরপর টম রজার্সের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। ২৭ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার। তবে নবম ওভারে সাকিব আল হাসান পরপর দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা ফেরান। তার শিকার হন রজার্স ও দিনুড়া কালুপাহানা, যিনি ১৯ বলে ৩১ রান করেছিলেন।

এরপর চামিকা করুণারত্নে ফিরলেও গলের জয়ের পথে আর কোনো বাধা তৈরি করতে পারেনি জাফনা। দাসুন শানাকা ও সহান আরাচ্চিগে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। শেষ পর্যন্ত ২৫ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে গল গ্যালান্টস এবং প্রথমবারের মতো এলপিএলের ট্রফি নিজেদের করে নেয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

জাফনা কিংস : ১২৩/১০ (১৯.৩)
গল গ্যালান্টস : ১২৬/৫ (১৫.৫)

ফলাফল : গল গ্যালান্টস ৫ উইকেটে জয়ী
ম্যাচ সেরা : চারিথ আসালাঙ্কা
সিরিজ সেরা : কামিল মিশারা