জাপানকে হারালেই কাবাডিতে পদক নিশ্চিত। সেই ম্যাচ হেরে কাবাডিতে পদকের আশা যখন কার্যত শেষ, তখনই উশু থেকে এলো সুখবর। নারী ৫২ কেজি ওজন শ্রেণিতে বাংলাদেশের জিন্নাত আক্তার সেমিফাইনালে উঠে নিশ্চিত করেন ব্রোঞ্জ। জিন্নাতকে এজন্য কারও সঙ্গে লড়তে হয়নি!
কোয়ার্টার ফাইনালে জিন্নাতের প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেন্তিনা থারিসা নির্ধারিত ওজনের বেশি হওয়ায় তাকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়। ফলে না খেলেই সেমিফাইনালে উঠে যান জিন্নাত। তার মানে ব্রোঞ্জ নিশ্চিত, জানিয়েছেন বাংলাদেশ উশু অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দিলদার হাসান দিলু। তিনি বলেন, ‘কোয়ার্টার ফাইনালে জিন্নাতের প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেন্তিনা ডিসকোয়ালিফাইড হওয়ায় জিন্নাত সেমিফাইনালে ওঠায় ব্রোঞ্জ নিশ্চিত হয়েছে।’ দিলুর ভাষায়, ‘ছয়জনের কম প্রতিযোগী হলে ব্রোঞ্জের জন্য আলাদা ম্যাচ হয়। এই ইভেন্টে ১৫ জন প্রতিযোগী। তাই সেমিফাইনালে পরাজিত খেলোয়াড় ব্রোঞ্জ পাবেন।’ বাংলাদেশ দলের শেফ দ্য মিশন মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদও বলেন, ‘উশুর সাধারণ সম্পাদক পদকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এশিয়ান গেমসে সেমিফাইনালিস্ট পদক পায়। জিন্নাতের সেমিফাইনাল নিশ্চিত। তাই পদকও নিশ্চিত বলা যায়।’
১৯৭৮ এশিয়ান গেমসে প্রথম অংশ নেয় বাংলাদেশ। আট বছর পর ১৯৮৬ সিউল এশিয়াডে বক্সার মোশাররফ ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। সেটিই এতদিন ব্যক্তিগত ইভেন্টে বাংলাদেশের একমাত্র পদক। এরপর কাবাডি, ক্রিকেটসহ দলীয় ইভেন্টে এসেছে পদক। কিন্তু ব্যক্তিগত ইভেন্টে আর কেউ সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারেননি। চার দশক পর অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।
শেরপুর নিউজ প্রতিবেদকঃ 

























