০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

মোল্লাহাটে পাট চাষে ফিরেছে কৃষকের আস্থা

 

অনুকূল আবহাওয়া, সরকারি সহায়তা এবং বাজারে পাটের ভালো দামের প্রত্যাশায় বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় চলতি মৌসুমে পাট চাষে নতুন করে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের মধ্যে।

উপজেলার প্রায় ১ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন উন্নত জাতের পাটের আবাদ হয়েছে। কৃষি বিভাগের ধারণা, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হেক্টরপ্রতি গড়ে প্রায় ৭০ মণ পাট উৎপাদন সম্ভব হবে।

মৌসুমের শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাটের বীজ অঙ্কুরোদগম ও গাছের বৃদ্ধি ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে আগাম আবাদ করা পাট ৪ থেকে ৬ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়েছে। বর্তমানে কৃষকরা পরিচর্যা, আগাছা দমন ও সার প্রয়োগে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

পাট উৎপাদন বাড়াতে ‘উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ৬০০ কৃষকের মধ্যে ২ হাজার ২০০ কেজি উন্নত জাতের পাটবীজ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে পাট চাষ বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তবে কৃষকদের অভিযোগ, পাট জাগ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত ডোবা ও জলাশয় না থাকায় কিছুটা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সময়মতো জাগ না দিতে পারলে আঁশের মান কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইমরান হোসেন বলেন, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে এ বছর পাটের আবাদ ভালো হয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

পাট উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে উৎপাদন আরও বাড়বে এবং কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।

স্থানীয় কৃষকদের আশা, এ বছর ভালো ফলনের পাশাপাশি পাটের ন্যায্যমূল্য পাওয়া গেলে ‘সোনালি আঁশ’ ঘিরে মোল্লাহাটের কৃষকদের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা আরও শক্তিশালী হবে।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

মোল্লাহাটে পাট চাষে ফিরেছে কৃষকের আস্থা

Update Time : ০৭:০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

 

অনুকূল আবহাওয়া, সরকারি সহায়তা এবং বাজারে পাটের ভালো দামের প্রত্যাশায় বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় চলতি মৌসুমে পাট চাষে নতুন করে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের মধ্যে।

উপজেলার প্রায় ১ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন উন্নত জাতের পাটের আবাদ হয়েছে। কৃষি বিভাগের ধারণা, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হেক্টরপ্রতি গড়ে প্রায় ৭০ মণ পাট উৎপাদন সম্ভব হবে।

মৌসুমের শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাটের বীজ অঙ্কুরোদগম ও গাছের বৃদ্ধি ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে আগাম আবাদ করা পাট ৪ থেকে ৬ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়েছে। বর্তমানে কৃষকরা পরিচর্যা, আগাছা দমন ও সার প্রয়োগে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

পাট উৎপাদন বাড়াতে ‘উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ৬০০ কৃষকের মধ্যে ২ হাজার ২০০ কেজি উন্নত জাতের পাটবীজ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে পাট চাষ বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তবে কৃষকদের অভিযোগ, পাট জাগ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত ডোবা ও জলাশয় না থাকায় কিছুটা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সময়মতো জাগ না দিতে পারলে আঁশের মান কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইমরান হোসেন বলেন, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে এ বছর পাটের আবাদ ভালো হয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

পাট উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে উৎপাদন আরও বাড়বে এবং কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।

স্থানীয় কৃষকদের আশা, এ বছর ভালো ফলনের পাশাপাশি পাটের ন্যায্যমূল্য পাওয়া গেলে ‘সোনালি আঁশ’ ঘিরে মোল্লাহাটের কৃষকদের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা আরও শক্তিশালী হবে।