০১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

আর্জেন্টিনাকে লজ্জায় ডুবিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

কাতার বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির দল আর্জেন্টিনা। ধার-ভারের প্রতি সম্মান দেখাতে হতো আকাশি-সাদা জার্সি ধারীদের। কিন্তু শেষ বাঁশির ঠিক আগে ছাড়া গোলের কোন সুযোগই তৈরি করতে পারেনি তারা। নিতে পারেনি বলের দখলও। বরং পুরো ম্যাচে মেসিদের বোতলবন্দী করে ১-০ গোলের দারুণ জয় তুলে নিয়েছে স্পেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কীর্তি গড়েছে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের।

রোববার (২০ জুলাই) নিউ ইয়র্কের মেটলাইট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও গোল শূন্য সমতায় শেষ করে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বলের দখল ধরে রেখে লা ফুয়েন্তের দল প্রথমার্ধে দারুণ চারটি আক্রমণ তোলে। যার দুটি গোলের লক্ষ্যে থাকলেও আলবিসেলেস্তেদের গোলরক্ষক এমি মার্টিনেজ তা রুখে দেন।

দ্বিতীয়ার্ধে স্পেন আরও পাঁচটি গোল হওয়ার মতো সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু নকআউট পর্বে ছয় গোল খাওয়া আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমি এদিন টুর্নামেন্টের সেরা ছন্দে ছিলেন। ইয়ামাল-তোরেস-ওলমোদের একের পর এক শট ফেরান তিনি। আক্রমণের সুযোগ না পেয়ে আর্জেন্টিনা ম্যাচ তখন অতিরিক্ত সময় পাড়ি দিয়ে পেনাল্টিতে নেওয়ার ছক কষছে।

তখনই ম্যাচের সবচেয়ে বড় ধাক্কা খায় লিওনেল স্কালোনির দল। ম্যাচের ৯৩ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। স্পেনের ডিফেন্ডার পাও কুবার্সিকে কঠিন ফাউল করেন তিনি। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখায় মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া আর্জেন্টিনার শিরোপা স্বপ্ন তখনই ধুলোয় মিশে যায়।

ওই ধাক্কা সামলে অতিরিক্ত সময়ের আরো ১৫ মিনিট গোলবার অক্ষত রাখেন ওতামেন্ডি-মার্টিনেজরা। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে আর পারেননি। ম্যাচের ১০৬ মিনিটে দুর্দান্ত এক ভলিতে গোল করেন বার্সা ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস। ম্যাচের ৬২ মিনিটে বদলি নামা এই স্ট্রাইকারকে আর্জেন্টিনার গোলমুখে হেড করে বলে শট নেওয়ার সুযোগ করে দেন বদলি নামা নিকো উইলিয়াম। তোরেস শট জালে পাঠাতে ভুল করেননি। তার ওই শটেই ২০১০ বিশ্বকাপের পর শিরোপা ঘরে তুলল লা রোজারা। সেটাও সর্বশেষ আসরের চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

আর্জেন্টিনাকে লজ্জায় ডুবিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

Update Time : ০৪:২১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

কাতার বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির দল আর্জেন্টিনা। ধার-ভারের প্রতি সম্মান দেখাতে হতো আকাশি-সাদা জার্সি ধারীদের। কিন্তু শেষ বাঁশির ঠিক আগে ছাড়া গোলের কোন সুযোগই তৈরি করতে পারেনি তারা। নিতে পারেনি বলের দখলও। বরং পুরো ম্যাচে মেসিদের বোতলবন্দী করে ১-০ গোলের দারুণ জয় তুলে নিয়েছে স্পেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কীর্তি গড়েছে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের।

রোববার (২০ জুলাই) নিউ ইয়র্কের মেটলাইট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও গোল শূন্য সমতায় শেষ করে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বলের দখল ধরে রেখে লা ফুয়েন্তের দল প্রথমার্ধে দারুণ চারটি আক্রমণ তোলে। যার দুটি গোলের লক্ষ্যে থাকলেও আলবিসেলেস্তেদের গোলরক্ষক এমি মার্টিনেজ তা রুখে দেন।

দ্বিতীয়ার্ধে স্পেন আরও পাঁচটি গোল হওয়ার মতো সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু নকআউট পর্বে ছয় গোল খাওয়া আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমি এদিন টুর্নামেন্টের সেরা ছন্দে ছিলেন। ইয়ামাল-তোরেস-ওলমোদের একের পর এক শট ফেরান তিনি। আক্রমণের সুযোগ না পেয়ে আর্জেন্টিনা ম্যাচ তখন অতিরিক্ত সময় পাড়ি দিয়ে পেনাল্টিতে নেওয়ার ছক কষছে।

তখনই ম্যাচের সবচেয়ে বড় ধাক্কা খায় লিওনেল স্কালোনির দল। ম্যাচের ৯৩ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। স্পেনের ডিফেন্ডার পাও কুবার্সিকে কঠিন ফাউল করেন তিনি। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখায় মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া আর্জেন্টিনার শিরোপা স্বপ্ন তখনই ধুলোয় মিশে যায়।

ওই ধাক্কা সামলে অতিরিক্ত সময়ের আরো ১৫ মিনিট গোলবার অক্ষত রাখেন ওতামেন্ডি-মার্টিনেজরা। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে আর পারেননি। ম্যাচের ১০৬ মিনিটে দুর্দান্ত এক ভলিতে গোল করেন বার্সা ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস। ম্যাচের ৬২ মিনিটে বদলি নামা এই স্ট্রাইকারকে আর্জেন্টিনার গোলমুখে হেড করে বলে শট নেওয়ার সুযোগ করে দেন বদলি নামা নিকো উইলিয়াম। তোরেস শট জালে পাঠাতে ভুল করেননি। তার ওই শটেই ২০১০ বিশ্বকাপের পর শিরোপা ঘরে তুলল লা রোজারা। সেটাও সর্বশেষ আসরের চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে।