০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

বগুড়া জেলা কারাগারের হাজতি রহিমের মৃত্যু

 

বগুড়া জেলা কারাগারের মাদক মামলার হাজতি রহিম উদ্দিন (৬০) মারা গেছেন। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকের কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রোববার দিনগত রাত ২ টা ৪০ মিনিটে তিনি মারা যান। মৃত রহিম উদ্দিন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের ঠারু শেখের ছেলে।

তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বগুড়া জেল সুপার মো. আসাদুর রহমান বলেন, রহিম উদ্দিন (৬০) মাদক মামলার আসামি ছিলেন। গত ৫ জুন তাকে আদালত থেকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন সময় অসুস্থ ছিলেন।

তিনি কারা হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে গত রোববার দিনগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি বুকে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করেন। এরপর তাকে শজিমেক হাসাপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একইদিন রাত ২টা ৪০ মিনিটে তিনি মারা যান। চিকিৎসক জানিয়েছেন তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

জেল সুপার আরো বলেন, সোমবার (২ নভেম্বর) একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়। এরপর ওই হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্তশেষে বিকেল ৩ টার দিকে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়া জেলা কারাগারের হাজতি রহিমের মৃত্যু

Update Time : ০৬:৪১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

 

বগুড়া জেলা কারাগারের মাদক মামলার হাজতি রহিম উদ্দিন (৬০) মারা গেছেন। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকের কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রোববার দিনগত রাত ২ টা ৪০ মিনিটে তিনি মারা যান। মৃত রহিম উদ্দিন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের ঠারু শেখের ছেলে।

তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বগুড়া জেল সুপার মো. আসাদুর রহমান বলেন, রহিম উদ্দিন (৬০) মাদক মামলার আসামি ছিলেন। গত ৫ জুন তাকে আদালত থেকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন সময় অসুস্থ ছিলেন।

তিনি কারা হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে গত রোববার দিনগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি বুকে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করেন। এরপর তাকে শজিমেক হাসাপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একইদিন রাত ২টা ৪০ মিনিটে তিনি মারা যান। চিকিৎসক জানিয়েছেন তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

জেল সুপার আরো বলেন, সোমবার (২ নভেম্বর) একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়। এরপর ওই হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্তশেষে বিকেল ৩ টার দিকে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।