০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অপতথ্য রোধের আহ্বানের মধ্যে দিয়ে বগুড়ায় তথ্য অধিকার দিবস পালিত

ডিজিটাল যুগে সঠিক তথ্য নিশ্চিতকরণ : অপতথ্য রোধে অধিকারের ভূমিকা এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বগুড়ায় আন্তর্জাতিক অথ্য অধিকার দিবস পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও গৃহায়ন ওগণপূর্ত মন্ত্রনালয় সম্পকৃত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।

টিআইবি-সনাক বগুড়া আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ডিডিএলজি রাজিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মেজবাউল করিম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মো. মাসুদ হোসেন, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রমজান আলী, মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, সাংবাদিক রাহাত রিটু প্রমুখ।

আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা তথ্য অফিসার মাহফুজার রহমান। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও অপতথ্য ছড়ানোর প্রবণতা মহামারি আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহজলভ্যতা ও অপব্যবহারের ফলে এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে বলে ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান ‘রিউমার স্ক্যানার’-এর এক পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

রিউমার স্ক্যানারের তথ্য অনুযায়ী, দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে জড়িয়ে মোট ৮৮৮টি এবং নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে ১ হাজার ৭১টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। এছাড়া বর্তমান সরকারকে কেন্দ্র করে বিগত ১৮০ দিনের মধ্যে ৪ শত ৬৪টি অপতথ্য ছড়ানো হয়, যার সিংহভাগই ছিল নেতিবাচক মনোভাবাপন্ন। গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি অপতথ্য ছড়িয়েছে জ্বালানি সংকট ইস্যুকে কেন্দ্র করে।নির্বাচন ক্যাম্পেইন সাপোর্ট

বক্তারা বলেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভূয়া তথ্য খণ্ডনের পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য ও যাচাইযোগ্য তথ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সরকারি সেবাখাতসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশের ঘাটতিকেও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

অপতথ্য রোধের আহ্বানের মধ্যে দিয়ে বগুড়ায় তথ্য অধিকার দিবস পালিত

Update Time : ০৪:৪৩:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডিজিটাল যুগে সঠিক তথ্য নিশ্চিতকরণ : অপতথ্য রোধে অধিকারের ভূমিকা এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বগুড়ায় আন্তর্জাতিক অথ্য অধিকার দিবস পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও গৃহায়ন ওগণপূর্ত মন্ত্রনালয় সম্পকৃত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।

টিআইবি-সনাক বগুড়া আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ডিডিএলজি রাজিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মেজবাউল করিম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মো. মাসুদ হোসেন, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রমজান আলী, মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, সাংবাদিক রাহাত রিটু প্রমুখ।

আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা তথ্য অফিসার মাহফুজার রহমান। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও অপতথ্য ছড়ানোর প্রবণতা মহামারি আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহজলভ্যতা ও অপব্যবহারের ফলে এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে বলে ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান ‘রিউমার স্ক্যানার’-এর এক পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

রিউমার স্ক্যানারের তথ্য অনুযায়ী, দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে জড়িয়ে মোট ৮৮৮টি এবং নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে ১ হাজার ৭১টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। এছাড়া বর্তমান সরকারকে কেন্দ্র করে বিগত ১৮০ দিনের মধ্যে ৪ শত ৬৪টি অপতথ্য ছড়ানো হয়, যার সিংহভাগই ছিল নেতিবাচক মনোভাবাপন্ন। গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি অপতথ্য ছড়িয়েছে জ্বালানি সংকট ইস্যুকে কেন্দ্র করে।নির্বাচন ক্যাম্পেইন সাপোর্ট

বক্তারা বলেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভূয়া তথ্য খণ্ডনের পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য ও যাচাইযোগ্য তথ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সরকারি সেবাখাতসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশের ঘাটতিকেও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।