০৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের উদ্যোগে ‘মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা’

 

শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ও শিক্ষার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বগুড়ার শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলায়। শুধু শিক্ষার্থী নয়, একই সঙ্গে শিক্ষকদের মেধা ও দক্ষতা যাচাই করতে আয়োজিত হয়েছে ‘মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা’।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের উদ্যোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, শিবগঞ্জ সরকারি বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এবং চৌধুরী আদর্শ মহিলা মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রে একযোগে এক ঘণ্টার এ পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় জাতীয়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিষয়ের ওপর প্রণীত প্রশ্নপত্রে অংশ নেন শিবগঞ্জ ও মোকামতলা এলাকার এক হাজার ৬০০ শিক্ষার্থী এবং প্রায় ৬০০ শিক্ষক।

ব্যতিক্রমী এই আয়োজন সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকার প্রতিটি বিদ্যালয় ও কলেজের মেধাবীদের র‍্যাংকিং করতেই এই আয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষকদেরও যুক্ত করা হয়েছে। তাদের শিক্ষা ও দেশ নিয়ে ভাবনাগুলো জানা এবং সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বের করে সরকারের কাছে পৌঁছানোই মূল লক্ষ্য।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রথম সারির ৪০০ শিক্ষার্থী ও ২০০ শিক্ষককে নিয়ে শিগগিরই এক বিশেষ মতবিনিময় বৈঠকের আয়োজন করা হবে। নতুন শিক্ষাক্রম, দক্ষতার উন্নয়ন ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার উপযোগী বিভিন্ন প্রস্তাবনা স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ হিসেবে পাঠানো হবে।

পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অংশগ্রহণকারীরা। গাংনগর দাখিল মাদরাসার শিক্ষক শাহজাহান আলী বলেন, শিক্ষকদের জন্য এমন মেধা যাচাইয়ের আয়োজন সত্যিই বিরল। এটি পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে উৎসাহিত করবে।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রেশাদ রহমান অনিক বলে, এ ধরনের প্রতিযোগিতা পড়াশোনায় নতুন উদ্দীপনা ও সৃজনশীলতা বাড়াবে।

শিক্ষাবিদ ও স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, নীতি নির্ধারণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সরাসরি যুক্ত করার এই ব্যতিক্রমী আয়োজন অন্যান্য এলাকার জন্যও একটি অনুকরণীয় মডেল হতে পারে।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সামাজিক মাধ্যমে মানহানিকর বক্তব্য, ভুল ও অপতথ্য বিস্তারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী

বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের উদ্যোগে ‘মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা’

Update Time : ০৬:৩৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ও শিক্ষার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বগুড়ার শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলায়। শুধু শিক্ষার্থী নয়, একই সঙ্গে শিক্ষকদের মেধা ও দক্ষতা যাচাই করতে আয়োজিত হয়েছে ‘মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা’।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের উদ্যোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, শিবগঞ্জ সরকারি বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এবং চৌধুরী আদর্শ মহিলা মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রে একযোগে এক ঘণ্টার এ পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় জাতীয়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিষয়ের ওপর প্রণীত প্রশ্নপত্রে অংশ নেন শিবগঞ্জ ও মোকামতলা এলাকার এক হাজার ৬০০ শিক্ষার্থী এবং প্রায় ৬০০ শিক্ষক।

ব্যতিক্রমী এই আয়োজন সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকার প্রতিটি বিদ্যালয় ও কলেজের মেধাবীদের র‍্যাংকিং করতেই এই আয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষকদেরও যুক্ত করা হয়েছে। তাদের শিক্ষা ও দেশ নিয়ে ভাবনাগুলো জানা এবং সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বের করে সরকারের কাছে পৌঁছানোই মূল লক্ষ্য।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রথম সারির ৪০০ শিক্ষার্থী ও ২০০ শিক্ষককে নিয়ে শিগগিরই এক বিশেষ মতবিনিময় বৈঠকের আয়োজন করা হবে। নতুন শিক্ষাক্রম, দক্ষতার উন্নয়ন ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার উপযোগী বিভিন্ন প্রস্তাবনা স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ হিসেবে পাঠানো হবে।

পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অংশগ্রহণকারীরা। গাংনগর দাখিল মাদরাসার শিক্ষক শাহজাহান আলী বলেন, শিক্ষকদের জন্য এমন মেধা যাচাইয়ের আয়োজন সত্যিই বিরল। এটি পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে উৎসাহিত করবে।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রেশাদ রহমান অনিক বলে, এ ধরনের প্রতিযোগিতা পড়াশোনায় নতুন উদ্দীপনা ও সৃজনশীলতা বাড়াবে।

শিক্ষাবিদ ও স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, নীতি নির্ধারণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সরাসরি যুক্ত করার এই ব্যতিক্রমী আয়োজন অন্যান্য এলাকার জন্যও একটি অনুকরণীয় মডেল হতে পারে।