০৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিবগঞ্জে ড্রামের ভেলায় ঝুঁকিপূর্ণ নদী পারাপার

বগুড়ার শিবগঞ্জে করতোয়া নদীর ওপর নির্মাণাধীন একটি সেতুর কাজ নির্ধারিত দুই বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে ড্রামের ভেলা তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন কৃষ্ণপুর,আলোকদিয়ারসহ আশপাশের ৮ থেকে ১০টি গ্রামের প্রায় ২০ থেকে ৩০ হাজার মানুষ। এতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ।

স্থানীয়রা জানান,শিবগঞ্জ উপজেলার আলোকদিয়ার-কৃষ্ণপুর এলাকায় করতোয়া নদীর ওপর নির্মাণাধীন ৯৬ মিটার দীর্ঘ গার্ডার সেতুটি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। বৃহত্তর পাবনা ও বগুড়া জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ ২০২৪ সালে শুরু হয়। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কাজের তেমন দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

সেতুর নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় নদী পারাপারে এখন স্থানীয়দের একমাত্র ভরসা নিজেদের উদ্যোগে তৈরি ড্রামের ভেলা। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, নারী ও শিশুদের এ ভেলায় ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীতে পানি বাড়লে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।

একই সঙ্গে কৃষক উৎপাদিত ফসল সময়মতো বাজারে নিতে পারেন না। এতে কৃষিপণ্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। এলাকাবাসীর দাবি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যথাযথ তদারকির অভাবেই সেতুটির নির্মাণকাজে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। দ্রুত কাজ শেষ করে সেতুটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দেয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

শিবগঞ্জে ড্রামের ভেলায় ঝুঁকিপূর্ণ নদী পারাপার

Update Time : ০৭:৫৮:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ার শিবগঞ্জে করতোয়া নদীর ওপর নির্মাণাধীন একটি সেতুর কাজ নির্ধারিত দুই বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে ড্রামের ভেলা তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন কৃষ্ণপুর,আলোকদিয়ারসহ আশপাশের ৮ থেকে ১০টি গ্রামের প্রায় ২০ থেকে ৩০ হাজার মানুষ। এতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ।

স্থানীয়রা জানান,শিবগঞ্জ উপজেলার আলোকদিয়ার-কৃষ্ণপুর এলাকায় করতোয়া নদীর ওপর নির্মাণাধীন ৯৬ মিটার দীর্ঘ গার্ডার সেতুটি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। বৃহত্তর পাবনা ও বগুড়া জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ ২০২৪ সালে শুরু হয়। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কাজের তেমন দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

সেতুর নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় নদী পারাপারে এখন স্থানীয়দের একমাত্র ভরসা নিজেদের উদ্যোগে তৈরি ড্রামের ভেলা। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, নারী ও শিশুদের এ ভেলায় ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীতে পানি বাড়লে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।

একই সঙ্গে কৃষক উৎপাদিত ফসল সময়মতো বাজারে নিতে পারেন না। এতে কৃষিপণ্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। এলাকাবাসীর দাবি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যথাযথ তদারকির অভাবেই সেতুটির নির্মাণকাজে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। দ্রুত কাজ শেষ করে সেতুটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।