বগুড়ার শেরপুরে অবৈধভাবে মজুদ করা ১৩২ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগে রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা সার কৃষকদের মধ্যে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়ন ও রানীরহাট বাজারে পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিলাশপুর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে রফিকুল নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা ৭৮ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জব্দ করা সারগুলো উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার মাধ্যমে কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে প্রায় ৯১ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, রানীরহাট বাজারে অভিযান চালিয়ে আরও ৫৪ বস্তা সার জব্দ করা হয়। তবে এসব সার মজুদের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। জব্দ করা সার কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ প্রায় ৬৭ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযান পরিচালনা করেন শেরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবে শেরপুর থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধভাবে সার মজুদ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে সার বিক্রির বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
শেরপুর নিউজ প্রতিবেদকঃ 
























