১০:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই শহীদ ও আহত সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ে আত্মত্যাগকারী বীরদের রক্তে অর্জিত অধিকার রক্ষা এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে একটি সুন্দর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই জুলাইয়ের আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন। আবার কারও আপনজন এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। তাদের নিজেদের বা আপনজনদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ বাংলাদেশের মানুষ একটি মুক্ত পরিবেশে বসবাস করতে পারছেন।”

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন পর্যন্ত সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “যাদের আমরা হারিয়েছি, যারা শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেটি হলো বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।”

দেশের অগ্রযাত্রায় প্রতিটি নাগরিককে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়। বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে আমরা যে বাংলাদেশ চাই, সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”

সরকার শহীদ ও আহত পরিবারের পাশে থেকে কাজ চালিয়ে যাবে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশপ্রেম ও ঐক্যবদ্ধ চেতনার মাধ্যমে একটি সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আব্দুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি এবং শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে গুরুতর আহত মো. আব্দুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তারও চাকরির নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন।

এছাড়া সদ্য চাকরিতে যোগ দেওয়া শহীদ পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও জুলাই যোদ্ধারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

জুলাই শহীদ ও আহত সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০৭:২৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ে আত্মত্যাগকারী বীরদের রক্তে অর্জিত অধিকার রক্ষা এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে একটি সুন্দর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই জুলাইয়ের আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন। আবার কারও আপনজন এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। তাদের নিজেদের বা আপনজনদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ বাংলাদেশের মানুষ একটি মুক্ত পরিবেশে বসবাস করতে পারছেন।”

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন পর্যন্ত সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “যাদের আমরা হারিয়েছি, যারা শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেটি হলো বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।”

দেশের অগ্রযাত্রায় প্রতিটি নাগরিককে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়। বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে আমরা যে বাংলাদেশ চাই, সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”

সরকার শহীদ ও আহত পরিবারের পাশে থেকে কাজ চালিয়ে যাবে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশপ্রেম ও ঐক্যবদ্ধ চেতনার মাধ্যমে একটি সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আব্দুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি এবং শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে গুরুতর আহত মো. আব্দুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তারও চাকরির নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন।

এছাড়া সদ্য চাকরিতে যোগ দেওয়া শহীদ পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও জুলাই যোদ্ধারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।