১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬

শেরপুরে চায়না দুয়ারী জালে ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জালের অবাধ ব্যবহারে হুমকির মুখেদেশীয় মাছ। নদী-খাল ও জলাশয়ে পাতা এই জালে মাছের পাশাপাশি ধরা পড়ছে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা ও জলজ প্রাণী। এতে একদিকে যেমন ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার, অন্যদিকে হুমকির মুখে পড়ছে উপজেলার মৎস্য সম্পদ।
এক সময় উপজেলার বিভিন্ন নদী ও জলাশয়ে সারা বছরই পাওয়া যেত নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ। এসব মাছ স্থানীয় মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি হাজারো জেলে ও মৎস্যজীবী পরিবারের জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস ছিল। বর্তমানে বর্ষা মৌসুমেও বাজারে দেশীয় মাছের দেখা মিলছে না। চাষের মাছই এখন সাধারণ মানুষের একমাত্র ভরসা। পৌর শহরের মাছ বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্ষার মৌসুমে যেসব দেশীয় মাছ থাকার কথা সেগুলো খুব বেশি একটা দেখা যাচ্ছে না। সাধারণ মানুষের একমাত্র ভরসা চাষের মাছ। চাষের মাছের দামও ঊর্ধ্বমুখী।
শেরপুর পৌর বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বর্তমানে দেশি মাছ না পাওয়ার কারণ হচ্ছে চায়না জাল। এ জালের কারণে ছোট মাছগুলো ধরা পড়ছে। এ কারণেই মাছ পাওয়া যাচ্ছেনা। আগে ভরা মৌসুমে দেশীয় মাছে বাজার ভরপুর থাকতো কিন্তু এখন আগের মতন মাছ পাওয়া যায় না।
বাজারে মাছ কিনতে এসেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মকবুল হোসেন। তিনি বলেন, ‘এই বৃষ্টির সিজনে বাজারে দেশীয় মাছ পাওয়ার কথা কিন্তু আমরা দেশীয় মাছ দেখতে পাচ্ছিনা। চায়না দুয়ারী যে জালগুলো আছে, এই জালগুলো দিয়ে খালে বিলে মাছ ধরে। এ জালের কারণে ছোট বড় সব মাছ মারা যায়। বাজারে এখন চাষের মাছ ছাড়া কোনো মাছ নেই।’ তাই মৎস্য সম্পদ রক্ষায় চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধের দাবি সংশ্লিষ্টদের।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

শেরপুরে চায়না দুয়ারী জালে ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছ

Update Time : ০৮:৪১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জালের অবাধ ব্যবহারে হুমকির মুখেদেশীয় মাছ। নদী-খাল ও জলাশয়ে পাতা এই জালে মাছের পাশাপাশি ধরা পড়ছে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা ও জলজ প্রাণী। এতে একদিকে যেমন ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার, অন্যদিকে হুমকির মুখে পড়ছে উপজেলার মৎস্য সম্পদ।
এক সময় উপজেলার বিভিন্ন নদী ও জলাশয়ে সারা বছরই পাওয়া যেত নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ। এসব মাছ স্থানীয় মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি হাজারো জেলে ও মৎস্যজীবী পরিবারের জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস ছিল। বর্তমানে বর্ষা মৌসুমেও বাজারে দেশীয় মাছের দেখা মিলছে না। চাষের মাছই এখন সাধারণ মানুষের একমাত্র ভরসা। পৌর শহরের মাছ বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্ষার মৌসুমে যেসব দেশীয় মাছ থাকার কথা সেগুলো খুব বেশি একটা দেখা যাচ্ছে না। সাধারণ মানুষের একমাত্র ভরসা চাষের মাছ। চাষের মাছের দামও ঊর্ধ্বমুখী।
শেরপুর পৌর বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বর্তমানে দেশি মাছ না পাওয়ার কারণ হচ্ছে চায়না জাল। এ জালের কারণে ছোট মাছগুলো ধরা পড়ছে। এ কারণেই মাছ পাওয়া যাচ্ছেনা। আগে ভরা মৌসুমে দেশীয় মাছে বাজার ভরপুর থাকতো কিন্তু এখন আগের মতন মাছ পাওয়া যায় না।
বাজারে মাছ কিনতে এসেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মকবুল হোসেন। তিনি বলেন, ‘এই বৃষ্টির সিজনে বাজারে দেশীয় মাছ পাওয়ার কথা কিন্তু আমরা দেশীয় মাছ দেখতে পাচ্ছিনা। চায়না দুয়ারী যে জালগুলো আছে, এই জালগুলো দিয়ে খালে বিলে মাছ ধরে। এ জালের কারণে ছোট বড় সব মাছ মারা যায়। বাজারে এখন চাষের মাছ ছাড়া কোনো মাছ নেই।’ তাই মৎস্য সম্পদ রক্ষায় চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধের দাবি সংশ্লিষ্টদের।