০৫:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘বিগত ১৭ বছরের দুর্নীতির ওপরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ নিচ্ছে বর্তমান সরকার।’

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়ার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদকে একথা জানান।

তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি কমিটি গঠন করেছিল এবং সেই কমিটি সমগ্র দেশের মানুষের সামনে একটি শ্বেতপত্র বা এই ধরনের একটি রিপোর্ট-হোয়াইট পেপার প্রকাশ করেছিল। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল অর্থনীতির বিষয়টি। ওই পেপারটা যদি বের করে দেখেন তাহলে মোটামুটিভাবে পরিষ্কার একটি চিত্র পাবেন।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার সেই পেপারটিকে সামনে রেখে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত পর্যায়ক্রমে চেষ্টা করা হচ্ছে সেই সকল পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য।’

প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে মেয়াদ বৃদ্ধি ও ব্যয় বৃদ্ধি সাধারণত একটি কারণে হয় না। প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন, ভূমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন, ক্রয় প্রক্রিয়া, ব্যবস্থাপনার একাধিক দুর্বলতা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই সমস্যা তৈরি করে। প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতার বিষয়টি বর্তমান সরকারের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর এ বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমত, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো: দুর্বল ফিজিবিলিটি স্টাডি, প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলন যথাযথ না হওয়া, প্রকল্প এলাকা নির্বাচনে দুর্বলতা, ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব, ইউটিলিটি স্থানান্তরে বিলম্ব, ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিলম্ব, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ না দেওয়া, দুর্বল মনিটরিং ও জবাবদিহিতা, অর্থায়ন পরিকল্পনা ও বাজেট সামঞ্জস্যের ঘাটতি এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের অভাব ইত্যাদি।’

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দেয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

অন্তর্বর্তী সরকারের শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০৭:৫২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘বিগত ১৭ বছরের দুর্নীতির ওপরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ নিচ্ছে বর্তমান সরকার।’

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়ার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদকে একথা জানান।

তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি কমিটি গঠন করেছিল এবং সেই কমিটি সমগ্র দেশের মানুষের সামনে একটি শ্বেতপত্র বা এই ধরনের একটি রিপোর্ট-হোয়াইট পেপার প্রকাশ করেছিল। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল অর্থনীতির বিষয়টি। ওই পেপারটা যদি বের করে দেখেন তাহলে মোটামুটিভাবে পরিষ্কার একটি চিত্র পাবেন।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার সেই পেপারটিকে সামনে রেখে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত পর্যায়ক্রমে চেষ্টা করা হচ্ছে সেই সকল পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য।’

প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে মেয়াদ বৃদ্ধি ও ব্যয় বৃদ্ধি সাধারণত একটি কারণে হয় না। প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন, ভূমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন, ক্রয় প্রক্রিয়া, ব্যবস্থাপনার একাধিক দুর্বলতা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই সমস্যা তৈরি করে। প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতার বিষয়টি বর্তমান সরকারের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর এ বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমত, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো: দুর্বল ফিজিবিলিটি স্টাডি, প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলন যথাযথ না হওয়া, প্রকল্প এলাকা নির্বাচনে দুর্বলতা, ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব, ইউটিলিটি স্থানান্তরে বিলম্ব, ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিলম্ব, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ না দেওয়া, দুর্বল মনিটরিং ও জবাবদিহিতা, অর্থায়ন পরিকল্পনা ও বাজেট সামঞ্জস্যের ঘাটতি এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের অভাব ইত্যাদি।’