১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তাড়াশে সেচের অভাবে পুড়ছে ক্ষুদ্র কৃষকের জমির ধান

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সেচ মালিক মো. আব্দুর রশিদের আক্রোশে সেচের অভাবে মো. মনসুর আলী নামের এক ক্ষুদ্র চাষির উঠতি রোপা আমন ধান পুড়তে বসেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তালম ইউনিয়নের পাড়িল গ্রামের ফসলি মাঠে।

এদিকে ফসল রক্ষায় ওই কৃষক প্রতিকার চেয়ে গতকাল মঙ্গলবার তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুসরাত জাহান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী কৃষক মনসুর আলীর বাড়ি উপজেলার তালম ইউনিয়েনের গোন্তা গ্রামে।

ভুক্তভোগী কৃষক মনসুর আলী জানান, তিনি গ্রামের পার্শ্ববর্তী পাড়িল গ্রামের ফসলি মাঠে দিলীপ চন্দ্র নামের এক কৃষকের কাছ থেকে দেড় বিঘা ধানি জমি লিজ নেন। যে জমিতে তিনি মাসখানেক পূর্বে রোপা আমন ধান রোপণও করেন। আর রোপণ করা আমন ধানের জমিটি পাড়িল গ্রামের আব্দুর রশিদ নামের এক সেচ মালিকের সেচের আওতাভুক্ত।

মূলত সেচ মালিক আব্দুর রশিদ বিএডিসির পানাসি প্রকল্পের কাছ থেকে শর্ত অনুযায়ী বিদ্যুৎ চালিত গভীর সেচ যন্ত্রটি কৃষকের জমিতে সেচ দেবার জন্য পেয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি কৃষক মনসুর আলীর জমিটি নিজে লিজ নিতে না পেরে আক্রোশে ক্ষুব্ধ হয়ে মনসুর আলীর জমিতে সেচ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।

আর দীর্ঘ প্রায় একমাস যাবত সেচ দিতে না পারায় বর্তমানে ক্ষুদ্র কৃষক মনসুর আলীর দেড় বিঘা ফসলি জমি পানির অভাবে ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুসরাত জাহান জানান, অভিযোগ পেয়েছি। দ্রুতই ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে সেচের অভাবে পুড়ছে ক্ষুদ্র কৃষকের জমির ধান

Update Time : ০৬:৩০:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সেচ মালিক মো. আব্দুর রশিদের আক্রোশে সেচের অভাবে মো. মনসুর আলী নামের এক ক্ষুদ্র চাষির উঠতি রোপা আমন ধান পুড়তে বসেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তালম ইউনিয়নের পাড়িল গ্রামের ফসলি মাঠে।

এদিকে ফসল রক্ষায় ওই কৃষক প্রতিকার চেয়ে গতকাল মঙ্গলবার তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুসরাত জাহান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী কৃষক মনসুর আলীর বাড়ি উপজেলার তালম ইউনিয়েনের গোন্তা গ্রামে।

ভুক্তভোগী কৃষক মনসুর আলী জানান, তিনি গ্রামের পার্শ্ববর্তী পাড়িল গ্রামের ফসলি মাঠে দিলীপ চন্দ্র নামের এক কৃষকের কাছ থেকে দেড় বিঘা ধানি জমি লিজ নেন। যে জমিতে তিনি মাসখানেক পূর্বে রোপা আমন ধান রোপণও করেন। আর রোপণ করা আমন ধানের জমিটি পাড়িল গ্রামের আব্দুর রশিদ নামের এক সেচ মালিকের সেচের আওতাভুক্ত।

মূলত সেচ মালিক আব্দুর রশিদ বিএডিসির পানাসি প্রকল্পের কাছ থেকে শর্ত অনুযায়ী বিদ্যুৎ চালিত গভীর সেচ যন্ত্রটি কৃষকের জমিতে সেচ দেবার জন্য পেয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি কৃষক মনসুর আলীর জমিটি নিজে লিজ নিতে না পেরে আক্রোশে ক্ষুব্ধ হয়ে মনসুর আলীর জমিতে সেচ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।

আর দীর্ঘ প্রায় একমাস যাবত সেচ দিতে না পারায় বর্তমানে ক্ষুদ্র কৃষক মনসুর আলীর দেড় বিঘা ফসলি জমি পানির অভাবে ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুসরাত জাহান জানান, অভিযোগ পেয়েছি। দ্রুতই ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।