০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

আবর্জনার স্তূপ ধসে নিহত ৩০

 

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনির রাজধানী কোনাক্রিতে ভারী বৃষ্টির পর আবর্জনার বিশাল স্তূপ ধসে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২২ জন, যাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর।

কর্তৃপক্ষ জানায়, রোববার ভোররাতে কোনাক্রির গবেসিয়া এলাকার দার-এস-সালাম বর্জ্যভাগাড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রাতভর ভারী বৃষ্টির পর আবর্জনার স্তূপ ধসে আশপাশের ঘরবাড়ি ও বসতিতে পড়ে। এতে অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন।

দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার আগে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে অনেক পরিবার সেখানে থেকে যায়। দুর্ঘটনার পর অবশিষ্ট বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

দার-এস-সালাম কোনাক্রির অন্যতম বড় উন্মুক্ত বর্জ্য ফেলার স্থান। দীর্ঘদিন ধরে এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। ভারী বৃষ্টির কারণে সেখানে ধসের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

আবর্জনার স্তূপ ধসে নিহত ৩০

Update Time : ০৭:২৯:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

 

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনির রাজধানী কোনাক্রিতে ভারী বৃষ্টির পর আবর্জনার বিশাল স্তূপ ধসে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২২ জন, যাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর।

কর্তৃপক্ষ জানায়, রোববার ভোররাতে কোনাক্রির গবেসিয়া এলাকার দার-এস-সালাম বর্জ্যভাগাড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রাতভর ভারী বৃষ্টির পর আবর্জনার স্তূপ ধসে আশপাশের ঘরবাড়ি ও বসতিতে পড়ে। এতে অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন।

দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার আগে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে অনেক পরিবার সেখানে থেকে যায়। দুর্ঘটনার পর অবশিষ্ট বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

দার-এস-সালাম কোনাক্রির অন্যতম বড় উন্মুক্ত বর্জ্য ফেলার স্থান। দীর্ঘদিন ধরে এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। ভারী বৃষ্টির কারণে সেখানে ধসের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।