০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকার বার্তা নিয়ে মোদির কাছে দীনেশ ত্রিবেদী

 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকায় বাংলাদেশের নেতৃত্বের সঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর তিনি যে বার্তা নিয়ে ভারতে ফিরেছেন, বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

নয়াদিল্লির একটি কূটনৈতিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি জানায়, মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়।

সোমবার (১০ আগস্ট) নয়াদিল্লি ফেরার আগে ঢাকায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন ভারতের হাইকমিশনার। রোববার তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর সোমবার সচিবালয়ে পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে দীনেশ ত্রিবেদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সঙ্গে ‘ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী’ সম্পর্ক নিয়ে কাজ করার আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি জনগণকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার উপায় নিয়েও আলোচনা করেন তারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

দীনেশ ত্রিবেদী জানান, পারস্পরিক স্বার্থ, সুবিধা ও সংবেদনশীলতার বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে সব ক্ষেত্রে জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে ভারত আগ্রহী।

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবেই হাইকমিশনারের এসব বৈঠককে দেখা হচ্ছে।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকার বার্তা নিয়ে মোদির কাছে দীনেশ ত্রিবেদী

Update Time : ০৭:২৩:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকায় বাংলাদেশের নেতৃত্বের সঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর তিনি যে বার্তা নিয়ে ভারতে ফিরেছেন, বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

নয়াদিল্লির একটি কূটনৈতিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি জানায়, মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়।

সোমবার (১০ আগস্ট) নয়াদিল্লি ফেরার আগে ঢাকায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন ভারতের হাইকমিশনার। রোববার তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর সোমবার সচিবালয়ে পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে দীনেশ ত্রিবেদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সঙ্গে ‘ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী’ সম্পর্ক নিয়ে কাজ করার আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি জনগণকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার উপায় নিয়েও আলোচনা করেন তারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

দীনেশ ত্রিবেদী জানান, পারস্পরিক স্বার্থ, সুবিধা ও সংবেদনশীলতার বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে সব ক্ষেত্রে জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে ভারত আগ্রহী।

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবেই হাইকমিশনারের এসব বৈঠককে দেখা হচ্ছে।