বগুড়া সারিয়াকান্দিতে গত কয়েকদিন ধরেই বেগুনের কেজি সেঞ্চুরিতে রয়েছে। এদিকে কাঁচা মরিচও ট্রিপল সেঞ্চুরির ঘরে। বেগুন, কাঁচা মরিচের পাশাপাশি অন্য সবজিগুলোও চড়াদামে বিক্রি হচ্ছে। সবজির সাথে তাল মিলিয়ে অন্য জিনিসপত্রের দামও লাগামহীন ভাবে বেড়েছে। এমতাবস্থায় নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের।
গত কয়েক সপ্তাহ আগের অবিরাম বর্ষনের আগেও এ উপজেলায় সবজির বাজার ছিল সহনীয় । টানা বর্ষনের কয়েকদিন পরেই সবজির দাম লাগামহীন ভাবে বাড়তে শুরু করে। গত কয়েকদিন ধরেই এ উপজেলায় বেগুন কেজিতে ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠানামা করছে। বেগুনের সাথে অস্বাভাবিক ভাবে বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সারিয়াকান্দি পৌর বাজারে কাঁচা মরিচ ২৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। যা কখনো ৩০০ টাকা কেজি পর্যন্ত ওঠানামা করছে। এদিকে কয়েকমাস ধরে ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পিঁয়াজ আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) ৬০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।বগুড়া স্থানীয় খবর
তবে অপরিবর্তিত রয়েছে আলুর দাম। এ বাজারে প্রতি কেজি কার্ডিনাল আলু ২৫ টাকা এবং লাল আলু ৩৫ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পটল ৮০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা কেজি এবং লাউসহ প্রায় সকল ধরনের সবজির দাম লাগামহীনভাবে বেড়েছে।
কাঁচা বাজারের উত্তাপ মাছ বাজারেও ছরিয়ে পরেছে। এ বাজার সাধারণত বর্ষার মৌসুমে স্থিতিশীল থাকে। তবে এ বছরে বর্ষাকালেও জেলেরা নদীতে কাঙ্খিত পরিমাণে মাছ পাচ্ছেন না। ফলে বাজারে প্রায় প্রতিটি মাছের দাম উর্ধমুখী। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে নদীর চিংড়ি মাছ একেবারেই নেই। পাওয়া গেলেও তা ১৮০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। পুকুরের মাছও ২৫০ টাকা কেজি থেকে শুরু করে ৪০০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
নদীর ছোটমাছ ৬০০ টাকা থেকে শুরু করে ৯০০ টাকা। মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ১১০০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগী ৩২০ থেকে ৩৭০ টাকা, ব্রয়লার মুরগী ১৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
শেরপুর নিউজ প্রতিবেদকঃ 

















