বগুড়া মহানগরের দত্তবাড়ি এলাকায় অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে অপরাধীচক্র। দিন দিন অপরাধীদের দৌরাত্ম বেড়েই চলেছে। চুরি, ছিনতাই,পকেটমার প্রতারণা ও চাঁদাবাজিসহ এমন কোন অপরাধ নেই যা দত্তবাড়ি এলাকায় হয়না। সেখানে প্রায় প্রতিদিনই অপরাধীদের কবলে পড়ে সর্বশান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। তাদের অপকর্মে বাধা দিলেই নেমে আসে মহাবিপদ।
তাদের বাধা দিতে গিয়ে হামলার শিকার হচ্ছেন বিভিন্নজন। এমনকি পুলিশ ও আইনজীবীর উপরও হামলা করতে দ্বিধা করছে না তারা। সেখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আইনজীবীকে কোপানোর পর এবার হামলার শিকার হয়েছেন সদর থানার পুৃলিশ কর্মকর্তা মো.উজ্জল। তাকে বেদম মারপিট করে গুরুতর আহত করেছে পকেটমার-ছিনতাইকারী চক্র। পুলিশ অবশ্য সর্বশেষ এই হামলার ঘটনায় ২৮ মামলার আসামি পকেটমার রতন বেপারীকে গ্রেফতার করেছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের পর যানজট নিরসন ও সড়কে পথচারীদের নিরাপদে চলাচল নিশ্চিতে ও পকেটমারসহ অপরাধীদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বগুড়া সদর থানা পুলিশ। অভিযান পরিচালনার সময় দত্তবাড়ি এলাকায় মাটিডালিমুখি সড়কে শতাব্দী ফিলিং স্টেশনের পাশ থেকে পকেটমার রতন ব্যাপারী (৫০)কে ধরে ফেলেন অভিযানে থাকা বগুড়া সদর থানার এএসআই উজ্জ্বল।
এসময় ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে পকেটমার রতন ব্যাপারী ও তার সহযোগীরা পুলিশ কর্মকর্তা উজ্জ্বলকে বেদম মারপিট করে। এতে তিনি গুরতর আহত হন। বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইব্রাহীম আলী জানান, শারদীয় দূর্গাৎসবে যান চলাচল ও নির্বিঘ্নে পথচারীদের চলাফেরা নিশ্চিতে দত্তবাড়ী সড়কে বিশেষ অভিযান চলছিল। এছাড়া ওই এলাকায় পকেটমার,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারেও অভিযানে নামে পুলিশ।
এসময় দায়িত্বরত এএস আই উজ্জ্বল একব্যক্তির কাছ থেকে পকেটমারার সময় রতনকে হাতে নাতে ধরে ফেলেন। কিন্তু রতনের সাথে থাকা পূরুষ ও নারী সহযোগীরা পুলিশ কর্মকর্তা উজ্জ্বলের ওপর হামলা চালায়। এসময় তারা তাকে বেদম মারপিট করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। সেইসাথে আসামি রতনকে গ্রেফতার করে থানায় আনে।
আহত পুলিশ কর্মকর্তা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। ওসি আরো বলেন, ধৃত রতন ব্যাপারীর নামে আগের অস্ত্র, ছিনতাই,পকেটমারাসহ ২৮টি মামলা এবং ৩টি মামলায় ওয়ারেন্ট ছিল। তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
শেরপুর নিউজ প্রতিবেদকঃ 


























