০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ায় জেলা জজের পুনঃপদায়ন বাতিলের দাবিতে আইনজীবীদের বিক্ষোভ

বগুড়ার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মনিরুজ্জামানের পুনঃপদায়নের আদেশ বাতিল করে তাঁকে অন্যত্র বদলির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতির আইনজীবীরা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের সামনে তাঁরা এ কর্মসূচি পালন করেন।

কর্মসূচিতে জেলা বারের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কর্মকর্তা ও সাধারণ আইনজীবীরা অংশ নেন। এ সময় আইনজীবীরা মো. মনিরুজ্জামানের পুনঃপদায়নের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

মানববন্ধনে আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, আগের সরকারের আমলে মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মী ও আইনজীবীদের হয়রানি এবং বিচারপ্রার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর তাঁকে বগুড়া থেকে বদলি করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি তাঁকে আবারও বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাঁর নতুন করে দায়িত্ব গ্রহণের কথা ছিল।

জেলা বার সমিতির অ্যাডভোকেট (জিপি) শফিকুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে এর আগে বগুড়া থেকে বদলি করা হয়েছিল। এরপর আবার কেন তাঁকে একই স্থানে পদায়ন করা হলো, তা আমাদের বোধগম্য নয়। এ বিষয়ে বারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার আবেদন ও স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। আমরা তাঁর পুনঃপদায়নের আদেশ বাতিল করে অন্যত্র বদলির দাবি জানাচ্ছি।

জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, কোনো বিচারকের প্রতি ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে আইনজীবীরা কর্মসূচিতে নামেননি। বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের মধ্যে থাকা অসন্তোষের বিষয়গুলো কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরাই আমাদের উদ্দেশ্য। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, তাঁদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কর্মসূচিতে জেলা বারের কর্মকর্তা ও সাধারণ সদস্যদের পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীরাও অংশ নেন। এতে শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় জেলা জজের পুনঃপদায়ন বাতিলের দাবিতে আইনজীবীদের বিক্ষোভ

বগুড়ায় জেলা জজের পুনঃপদায়ন বাতিলের দাবিতে আইনজীবীদের বিক্ষোভ

Update Time : ০৬:২৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মনিরুজ্জামানের পুনঃপদায়নের আদেশ বাতিল করে তাঁকে অন্যত্র বদলির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতির আইনজীবীরা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের সামনে তাঁরা এ কর্মসূচি পালন করেন।

কর্মসূচিতে জেলা বারের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কর্মকর্তা ও সাধারণ আইনজীবীরা অংশ নেন। এ সময় আইনজীবীরা মো. মনিরুজ্জামানের পুনঃপদায়নের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

মানববন্ধনে আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, আগের সরকারের আমলে মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মী ও আইনজীবীদের হয়রানি এবং বিচারপ্রার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর তাঁকে বগুড়া থেকে বদলি করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি তাঁকে আবারও বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাঁর নতুন করে দায়িত্ব গ্রহণের কথা ছিল।

জেলা বার সমিতির অ্যাডভোকেট (জিপি) শফিকুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে এর আগে বগুড়া থেকে বদলি করা হয়েছিল। এরপর আবার কেন তাঁকে একই স্থানে পদায়ন করা হলো, তা আমাদের বোধগম্য নয়। এ বিষয়ে বারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার আবেদন ও স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। আমরা তাঁর পুনঃপদায়নের আদেশ বাতিল করে অন্যত্র বদলির দাবি জানাচ্ছি।

জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, কোনো বিচারকের প্রতি ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে আইনজীবীরা কর্মসূচিতে নামেননি। বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের মধ্যে থাকা অসন্তোষের বিষয়গুলো কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরাই আমাদের উদ্দেশ্য। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, তাঁদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কর্মসূচিতে জেলা বারের কর্মকর্তা ও সাধারণ সদস্যদের পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীরাও অংশ নেন। এতে শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।