০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বগুড়ায় অনুমোদন ছাড়াই সার্জিক্যাল পণ্য তৈরি করায় ২ লাখ টাকা জরিমানা

 

বগুড়ায় অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের স্যানিটারি ন্যাপকিন ও সার্জিক্যাল পণ্য তৈরির দায়ে এশা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি কারখানাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কারখানার অবৈধ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার স্থানটি সিলগালা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বগুড়া মহানগরীর ফুলদিঘী উত্তরপাড়া এলাকায় র‌্যাব-১২ বগুড়া ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, ফুলদিঘী উত্তরপাড়ার একটি বাসাবাড়িতে অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নারীদের স্যানিটারি ন্যাপকিন, শিশুদের নেবুলাইজার, ব্রেস্ট ফিডার পাম্পসহ বিভিন্ন সার্জিক্যাল পণ্য তৈরি করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে অভিযোগের সত্যতা পায় অভিযানকারী দল। পরে প্রতিষ্ঠানের মালিক এমদাদুল হককে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং অবৈধ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার স্থানটি সিলগালা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন পণ্য তৈরি করছিল। ‘জবা’ ও ‘সেফ কেয়ার’ নামে তৈরি স্যানিটারি ন্যাপকিনের মোড়কে উৎপাদনস্থল হিসেবে ধামরাইয়ের ঠিকানা ব্যবহার করা হচ্ছিল, যা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৪ ধারায় প্রতারণার শামিল।

তিনি আরও বলেন, ন্যাপকিন তৈরিতে অত্যন্ত নিম্নমানের তুলা ও সাধারণ ফ্রেশ টিস্যু ব্যবহার করে তা মোড়কজাত করা হচ্ছিল। এসব পণ্য নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করার পাশাপাশি অবৈধ উৎপাদন কার্যক্রমের স্থানটি সিলগালা করা হয়েছে।

র‌্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর বিষয়টি জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে জানানো হয়। পরে যৌথ অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা ও ক্ষতিকর উৎপাদন কার্যক্রমের স্থানটি সিলগালা করা হয়েছে। তবে কারখানার যেসব অংশে ঝুঁকিমুক্ত অন্যান্য পণ্য তৈরি করা হচ্ছে, সেগুলো সচল রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

বগুড়ায় অনুমোদন ছাড়াই সার্জিক্যাল পণ্য তৈরি করায় ২ লাখ টাকা জরিমানা

Update Time : ০৭:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

 

বগুড়ায় অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের স্যানিটারি ন্যাপকিন ও সার্জিক্যাল পণ্য তৈরির দায়ে এশা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি কারখানাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কারখানার অবৈধ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার স্থানটি সিলগালা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বগুড়া মহানগরীর ফুলদিঘী উত্তরপাড়া এলাকায় র‌্যাব-১২ বগুড়া ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, ফুলদিঘী উত্তরপাড়ার একটি বাসাবাড়িতে অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নারীদের স্যানিটারি ন্যাপকিন, শিশুদের নেবুলাইজার, ব্রেস্ট ফিডার পাম্পসহ বিভিন্ন সার্জিক্যাল পণ্য তৈরি করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে অভিযোগের সত্যতা পায় অভিযানকারী দল। পরে প্রতিষ্ঠানের মালিক এমদাদুল হককে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং অবৈধ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার স্থানটি সিলগালা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন পণ্য তৈরি করছিল। ‘জবা’ ও ‘সেফ কেয়ার’ নামে তৈরি স্যানিটারি ন্যাপকিনের মোড়কে উৎপাদনস্থল হিসেবে ধামরাইয়ের ঠিকানা ব্যবহার করা হচ্ছিল, যা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৪ ধারায় প্রতারণার শামিল।

তিনি আরও বলেন, ন্যাপকিন তৈরিতে অত্যন্ত নিম্নমানের তুলা ও সাধারণ ফ্রেশ টিস্যু ব্যবহার করে তা মোড়কজাত করা হচ্ছিল। এসব পণ্য নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করার পাশাপাশি অবৈধ উৎপাদন কার্যক্রমের স্থানটি সিলগালা করা হয়েছে।

র‌্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর বিষয়টি জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে জানানো হয়। পরে যৌথ অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা ও ক্ষতিকর উৎপাদন কার্যক্রমের স্থানটি সিলগালা করা হয়েছে। তবে কারখানার যেসব অংশে ঝুঁকিমুক্ত অন্যান্য পণ্য তৈরি করা হচ্ছে, সেগুলো সচল রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।