১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

হঠাৎ কেন অশান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ?

 

জুলাই আন্দোলনের দুই বছরের মাথায় আবারও দেশের শিক্ষাঙ্গনগুলোতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মূলত আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ক্ষমতাসীন বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুই পক্ষেরই বেশ কিছু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে পুরান ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে সেখানে ছাত্রদলের সঙ্গে শিবির ও জাতীয় ছাত্রশক্তির সংঘর্ষে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলামসহ প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। হামলা থেকে রেহাই পাননি গণমাধ্যমকর্মীরাও। দ্বিতীয় দফায় ন্যাশনাল হাসপাতালের সামনেও মারামারি হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া সহিংসতার রেষ ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীর আরও তিন বিদ্যাপীঠে। এর মধ্যে ঢাকা কলেজ, বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা ও সোহরাওয়ার্দী কলেজে মারামারিতে একাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আরও আহত হয়েছেন ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।

ঘটনায় দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে। এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয় রবিবার (২ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সেখানে শহীদুল্লাহ হলের শিবির সমর্থিত এজিএসের কক্ষে দুই বহিরাগতের বিরুদ্ধে সমকামিতার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার জন্য ওই জিএসকে দায়ী করে ছাত্রদল। এ নিয়ে ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ করেন। এর একদিন পর সোমবার (৩ আগস্ট) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির আয়োজিত ‘জুলাই প্রদর্শনী’ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে রাবির প্রদর্শনীতে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ছবি থাকায় আপত্তি জানায় বাম ও প্রগতিশীল সংগঠনগুলো। একপর্যায়ে তা সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় প্রশাসন। একই ইস্যুতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রদল-শিবির। জুলাইয়ের দুই বছরপূর্তিকে ঘিরে একদিকে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের তৎপরতা, অপরদিকে সাবেক দুই মিত্র বিএনপি ও জামায়াতের ছাত্র সংগঠনের এমন সহিংসতায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক মাঠ। একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক আবহে এমন অস্থিরতা আসলে কীসের আলামত? এমন প্রশ্ন সামনে আসছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, জুলাই পরবর্তীকালে শিক্ষাঙ্গনে এ ধরনের একটি অসহিষ্ণু পরিবেশ কাম্য নয়। কারণ এর পরিপ্রেক্ষিতে আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এক্ষেত্রে দেশের স্থিতিশীলতার জন্য সব পক্ষকেই সহনশীলতার পরিচয় দেওয়ার পরামর্শ দেন তারা।

জুলাই আন্দোলনের দুই বছরপূর্তি উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনীর আয়োজন করে উত্তরাঞ্চলের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির। সেখানে দণ্ডিত জামায়াত নেতা নিজামী, মুজাহিদ ও সাইদীর ছবি প্রদর্শনকে আপত্তি জানায় প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলো। এ নিয়ে শিবিরের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তারা। এসব ছবি সরিয়ে ফেলার জন্য আল্টিমেটাম দেন তারা। শেষ পর্যন্ত ২ আগস্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব ছবি সরানো হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

পরদিন (৩ আগস্ট) একই কারণে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্রদলের সঙ্গে শিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আশিক, ছাত্রশিবির-সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদের জিএস পদপ্রার্থী মেহেদী হাসান এবং শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি সোহেল রানাসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। সেখানে ছাত্রদলকে ধাওয়া করে ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নেয় শিবির।

জগন্নাথের সংঘর্ষ গড়ায় হাসপাতাল পর্যন্ত

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সংঘর্ষে জড়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল-শিবির ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা। এর আগে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য পৌঁছান। এই অনুষ্ঠান ঘিরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে শিবির সমর্থিত জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম খানসহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২৭ জন আহত হন। এ পর্যায়ে শিবিরের নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাস থেকে তাড়িয়ে দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন।

এরপর দুপুর ২টায় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা জড়ো হন। আর হাসপাতালের মূল ফটকের বাইরে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।

একপর্যায়ে ছাত্রশিবির নেতাকর্মীরা ধাওয়া করতে গেলে ছাত্রদলের পাল্টা ধাওয়ায় শিবিরের নেতাকর্মীরা হাসপাতালের ভেতরে ছুটে যান। তখন দুইপক্ষ একে অপরের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনার জন্য পরস্পরকে দায়ী করেন নেতারা।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

হঠাৎ কেন অশান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ?

Update Time : ০৮:৪৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

 

জুলাই আন্দোলনের দুই বছরের মাথায় আবারও দেশের শিক্ষাঙ্গনগুলোতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মূলত আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ক্ষমতাসীন বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুই পক্ষেরই বেশ কিছু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে পুরান ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে সেখানে ছাত্রদলের সঙ্গে শিবির ও জাতীয় ছাত্রশক্তির সংঘর্ষে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলামসহ প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। হামলা থেকে রেহাই পাননি গণমাধ্যমকর্মীরাও। দ্বিতীয় দফায় ন্যাশনাল হাসপাতালের সামনেও মারামারি হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া সহিংসতার রেষ ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীর আরও তিন বিদ্যাপীঠে। এর মধ্যে ঢাকা কলেজ, বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা ও সোহরাওয়ার্দী কলেজে মারামারিতে একাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আরও আহত হয়েছেন ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।

ঘটনায় দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে। এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয় রবিবার (২ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সেখানে শহীদুল্লাহ হলের শিবির সমর্থিত এজিএসের কক্ষে দুই বহিরাগতের বিরুদ্ধে সমকামিতার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার জন্য ওই জিএসকে দায়ী করে ছাত্রদল। এ নিয়ে ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ করেন। এর একদিন পর সোমবার (৩ আগস্ট) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির আয়োজিত ‘জুলাই প্রদর্শনী’ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে রাবির প্রদর্শনীতে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ছবি থাকায় আপত্তি জানায় বাম ও প্রগতিশীল সংগঠনগুলো। একপর্যায়ে তা সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় প্রশাসন। একই ইস্যুতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রদল-শিবির। জুলাইয়ের দুই বছরপূর্তিকে ঘিরে একদিকে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের তৎপরতা, অপরদিকে সাবেক দুই মিত্র বিএনপি ও জামায়াতের ছাত্র সংগঠনের এমন সহিংসতায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক মাঠ। একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক আবহে এমন অস্থিরতা আসলে কীসের আলামত? এমন প্রশ্ন সামনে আসছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, জুলাই পরবর্তীকালে শিক্ষাঙ্গনে এ ধরনের একটি অসহিষ্ণু পরিবেশ কাম্য নয়। কারণ এর পরিপ্রেক্ষিতে আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এক্ষেত্রে দেশের স্থিতিশীলতার জন্য সব পক্ষকেই সহনশীলতার পরিচয় দেওয়ার পরামর্শ দেন তারা।

জুলাই আন্দোলনের দুই বছরপূর্তি উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনীর আয়োজন করে উত্তরাঞ্চলের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির। সেখানে দণ্ডিত জামায়াত নেতা নিজামী, মুজাহিদ ও সাইদীর ছবি প্রদর্শনকে আপত্তি জানায় প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলো। এ নিয়ে শিবিরের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তারা। এসব ছবি সরিয়ে ফেলার জন্য আল্টিমেটাম দেন তারা। শেষ পর্যন্ত ২ আগস্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব ছবি সরানো হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

পরদিন (৩ আগস্ট) একই কারণে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্রদলের সঙ্গে শিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আশিক, ছাত্রশিবির-সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদের জিএস পদপ্রার্থী মেহেদী হাসান এবং শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি সোহেল রানাসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। সেখানে ছাত্রদলকে ধাওয়া করে ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নেয় শিবির।

জগন্নাথের সংঘর্ষ গড়ায় হাসপাতাল পর্যন্ত

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সংঘর্ষে জড়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল-শিবির ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা। এর আগে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য পৌঁছান। এই অনুষ্ঠান ঘিরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে শিবির সমর্থিত জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম খানসহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২৭ জন আহত হন। এ পর্যায়ে শিবিরের নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাস থেকে তাড়িয়ে দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন।

এরপর দুপুর ২টায় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা জড়ো হন। আর হাসপাতালের মূল ফটকের বাইরে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।

একপর্যায়ে ছাত্রশিবির নেতাকর্মীরা ধাওয়া করতে গেলে ছাত্রদলের পাল্টা ধাওয়ায় শিবিরের নেতাকর্মীরা হাসপাতালের ভেতরে ছুটে যান। তখন দুইপক্ষ একে অপরের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনার জন্য পরস্পরকে দায়ী করেন নেতারা।