০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি

৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দেবেন। ওইদিন দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, দিবসটি উপলক্ষ্যে সংবাদপত্রগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ-সাহিত্য-সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এতে জানানো হয়, ৫ আগস্ট সকাল ৯টায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই দিন বেলা ১১টায় ঢাকার বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এতে রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, গত ৩০ জুলাই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তথ্য ভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সভাপ্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দেশের সব জেলায়ও জুলাই শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।

ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশনের মিনিপোলগুলোতে জুলাই আন্দোলনের ওপর বস্তুনিষ্ঠ ও নৈর্ব্যত্তিক দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া, দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি বেতার ও টিভি চ্যানেলে এফএম ও কমিউনিটি রেডিওতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কিত আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজনসহ বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করা হবে।

এতে বলা হয়, দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে এবং রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এছাড়া, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলো দিবসটি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করবে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো একই দিনে বাদ জোহর বা সুবিধাজনক সময়ে সারাদেশে বিশেষ মোনাজাত/প্রার্থনার আয়োজন করবে।

ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশানে সজ্জিত করা হবে। জুলাই স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে আলোক সজ্জিত করা হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হবে।

দিনটিতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘরগুলো সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনা টিকিটে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিনোদনমূলক স্থান শিশুদের জন্য সকাল-সন্ধ্যা উন্মুক্ত রাখা এবং বিনা টিকিটে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।

এতে আরও বলা হয়, দিবসটি উপলক্ষ্যে দেশের সব সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে কেয়ার ও শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি

Update Time : ০৬:২৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দেবেন। ওইদিন দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, দিবসটি উপলক্ষ্যে সংবাদপত্রগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ-সাহিত্য-সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এতে জানানো হয়, ৫ আগস্ট সকাল ৯টায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই দিন বেলা ১১টায় ঢাকার বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এতে রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, গত ৩০ জুলাই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তথ্য ভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সভাপ্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দেশের সব জেলায়ও জুলাই শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।

ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশনের মিনিপোলগুলোতে জুলাই আন্দোলনের ওপর বস্তুনিষ্ঠ ও নৈর্ব্যত্তিক দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া, দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি বেতার ও টিভি চ্যানেলে এফএম ও কমিউনিটি রেডিওতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কিত আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজনসহ বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করা হবে।

এতে বলা হয়, দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে এবং রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এছাড়া, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলো দিবসটি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করবে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো একই দিনে বাদ জোহর বা সুবিধাজনক সময়ে সারাদেশে বিশেষ মোনাজাত/প্রার্থনার আয়োজন করবে।

ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশানে সজ্জিত করা হবে। জুলাই স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে আলোক সজ্জিত করা হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হবে।

দিনটিতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘরগুলো সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনা টিকিটে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিনোদনমূলক স্থান শিশুদের জন্য সকাল-সন্ধ্যা উন্মুক্ত রাখা এবং বিনা টিকিটে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।

এতে আরও বলা হয়, দিবসটি উপলক্ষ্যে দেশের সব সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে কেয়ার ও শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে।