১০:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় নিহতের পরিবার পেল ৫ লাখ টাকা

 

বগুড়ার শিবগঞ্জে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারীকে বহনকারী সরকারি গাড়ির ধাক্কায় নিহত ফিরোজা বেগমের পরিবারের হাতে ৫ লাখ টাকার অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। নিহত প্রবাসীর বা পথচারীর পরিবারের আত্মকর্মসংস্থান ও জীবিকা নির্বাহে সহায়তার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষ থেকে এ অনুদান দেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক সেতুর সামনে গোপীনাথপুর এলাকায় নিহত ফিরোজার পরিবারের সদস্যদের হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

চেক হস্তান্তরকালে পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ফিরোজা বেগমের পরিবারের অবর্তমানে তাদের আত্মকর্মসংস্থান ও জীবিকা নির্বাহের উদ্দেশ্যে বিআরটিএর তহবিলের মাধ্যমে এই ৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।’

এর আগে, গত ৪ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ৯টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকায় মোকামতলা-জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফিরোজা বেগম ওই এলাকার মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী সরকারি গাড়িতে করে ঢাকা থেকে তার নির্বাচনী এলাকা জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় যাচ্ছিলেন। গাড়িতে তার স্ত্রী নাজমা আরা বেগমও ছিলেন। গোপীনাথপুর এলাকায় পৌঁছালে ফিরোজা বেগম মহাসড়ক পার হওয়ার চেষ্টা করলে প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির সামনে চলে আসেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি সড়কের পাশের ধানখেতে নেমে যায় এবং ফিরোজা বেগম গুরুতর আহত হন। এই দুর্ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী ও তার স্ত্রীও আঘাত পান।

পরে গুরুতর আহত ফিরোজা বেগমকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

চেক হস্তান্তরের সময় অন্যান্যের মধ্যে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব, শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান শাহীন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

শেরপুরে শহীদুর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় নিহতের পরিবার পেল ৫ লাখ টাকা

Update Time : ০৮:০১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

 

বগুড়ার শিবগঞ্জে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারীকে বহনকারী সরকারি গাড়ির ধাক্কায় নিহত ফিরোজা বেগমের পরিবারের হাতে ৫ লাখ টাকার অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। নিহত প্রবাসীর বা পথচারীর পরিবারের আত্মকর্মসংস্থান ও জীবিকা নির্বাহে সহায়তার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষ থেকে এ অনুদান দেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক সেতুর সামনে গোপীনাথপুর এলাকায় নিহত ফিরোজার পরিবারের সদস্যদের হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

চেক হস্তান্তরকালে পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ফিরোজা বেগমের পরিবারের অবর্তমানে তাদের আত্মকর্মসংস্থান ও জীবিকা নির্বাহের উদ্দেশ্যে বিআরটিএর তহবিলের মাধ্যমে এই ৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।’

এর আগে, গত ৪ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ৯টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকায় মোকামতলা-জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফিরোজা বেগম ওই এলাকার মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী সরকারি গাড়িতে করে ঢাকা থেকে তার নির্বাচনী এলাকা জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় যাচ্ছিলেন। গাড়িতে তার স্ত্রী নাজমা আরা বেগমও ছিলেন। গোপীনাথপুর এলাকায় পৌঁছালে ফিরোজা বেগম মহাসড়ক পার হওয়ার চেষ্টা করলে প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির সামনে চলে আসেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি সড়কের পাশের ধানখেতে নেমে যায় এবং ফিরোজা বেগম গুরুতর আহত হন। এই দুর্ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী ও তার স্ত্রীও আঘাত পান।

পরে গুরুতর আহত ফিরোজা বেগমকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

চেক হস্তান্তরের সময় অন্যান্যের মধ্যে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব, শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান শাহীন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।