০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

রোনালদোর পর দ্বিতীয় পর্তুগিজ ফার্নান্দেজ

 

নতুন মৌসুমের শুরুতে আগের মৌসুমের পারফরম্যান্সের আরেকটি স্বীকৃতি পেলেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। প্রফেশনাল ফুটবলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (পিএফএ) বর্ষসেরার খেতাব জিতলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই পর্তুগিজ মিডফিল্ডার।

গত মৌসুমে রেকর্ড ২১টি অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি ফার্নান্দেজ গোল করেছিলেন ৯টি। মাইকেল ক্যারিকের কোচিংয়ে চমকপ্রদভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রিমিয়ার লিগে তৃতীয় হয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও ফিরে আসে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে।

দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে প্রিমিয়ার লিগের মৌসুমসেরা ফুটবলারের পুরস্কারও জিতেছিলেন ৩১ বছর বয়সি এই পর্তুগিজ তারকা। এবার জিতলেন সতীর্থদের ভোটেও।

অধিনায়কের এই অর্জনে সমৃদ্ধ হয়েছে ক্লাবের প্রাপ্তিও। এই নিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ১২ ফুটবলার পিএফএ বর্ষসেরা হলেন, যা ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে সর্বোচ্চ।

পিএফএ বর্ষসেরা হওয়া দ্বিতীয় পর্তুগিজ ফুটবলার ফার্নান্দেজ। প্রথম জনের নামটি সহজেই অনুমেয়। ২০০৭ ও ২০০৮ সালে টানা সেরা হয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

ক্যারিকের কোচিংয়ে ফার্নান্দেজের ক্যারিয়ার পুনরুজ্জীবিত হয়েছে বলা যায়। ইউনাইটেডের আক্রমণভাগের চারজনকে আক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আরও বেশি স্বাধীনতা দিয়েছিলেন কোচ, যেটায় দারুণ কার্যকর ভূমিকা পালন করেন তার অধিনায়ক।

২০২০ সালে স্পোর্তিং সিপি থেকে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে পা রাখেন ফার্নান্দেজ। ইউনাইটেডের জার্সিতে তিনি গোল করেছেন ১১০টি, সহায়তা করেছেন ১০৬ গোলে। ২০০ গোল সম্পৃক্ততা হয়ে গেছে তার ৩১৪ ম্যাচেই, প্রিমিয়ার লিগ জমানায় যায় ইউনাইটেডের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তার চেয়ে দ্রুততায় পেরেছিলেন কেবল ক্লাব কিংবদন্তি ওয়েইন রুনি (২৯৫ ম্যাচে)।

পিএফএ বর্ষসেরা একাদশে পাঁচজন জায়গা পেয়েছেন চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল থেকে, রানার্স আপ ম্যানচেস্টার সিটি থেকে চারজন।

পিএফএ বর্ষসেরা একাদশ:

গোলকিপার: দাভিদ রাইয়া (আর্সেনাল)

রক্ষণভাগ: গাব্রিয়েল মাগালাইস (আর্সেনাল), নিকো ও’রাইলি (ম্যানচেস্টার সিটি), উইলিয়াম সালিবা (আর্সেনাল), জুরিয়েন টিম্বার (আর্সেনাল)

মাঝমাঠ: ব্রুনো ফার্নান্দেজ (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), ডেক্লান রাইস (আর্সেনাল), রায়ান শের্কি (ম্যানচেস্টার সিটি)।

আক্রমণভাগ: আর্লিং হলান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি), আন্তোয়ান সেমেনিও (ম্যানচেস্টার সিটি), ইগো চিয়াগো (ব্রেন্টফোর্ড)।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

রোনালদোর পর দ্বিতীয় পর্তুগিজ ফার্নান্দেজ

Update Time : ০৬:৩৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

 

নতুন মৌসুমের শুরুতে আগের মৌসুমের পারফরম্যান্সের আরেকটি স্বীকৃতি পেলেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। প্রফেশনাল ফুটবলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (পিএফএ) বর্ষসেরার খেতাব জিতলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই পর্তুগিজ মিডফিল্ডার।

গত মৌসুমে রেকর্ড ২১টি অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি ফার্নান্দেজ গোল করেছিলেন ৯টি। মাইকেল ক্যারিকের কোচিংয়ে চমকপ্রদভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রিমিয়ার লিগে তৃতীয় হয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও ফিরে আসে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে।

দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে প্রিমিয়ার লিগের মৌসুমসেরা ফুটবলারের পুরস্কারও জিতেছিলেন ৩১ বছর বয়সি এই পর্তুগিজ তারকা। এবার জিতলেন সতীর্থদের ভোটেও।

অধিনায়কের এই অর্জনে সমৃদ্ধ হয়েছে ক্লাবের প্রাপ্তিও। এই নিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ১২ ফুটবলার পিএফএ বর্ষসেরা হলেন, যা ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে সর্বোচ্চ।

পিএফএ বর্ষসেরা হওয়া দ্বিতীয় পর্তুগিজ ফুটবলার ফার্নান্দেজ। প্রথম জনের নামটি সহজেই অনুমেয়। ২০০৭ ও ২০০৮ সালে টানা সেরা হয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

ক্যারিকের কোচিংয়ে ফার্নান্দেজের ক্যারিয়ার পুনরুজ্জীবিত হয়েছে বলা যায়। ইউনাইটেডের আক্রমণভাগের চারজনকে আক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আরও বেশি স্বাধীনতা দিয়েছিলেন কোচ, যেটায় দারুণ কার্যকর ভূমিকা পালন করেন তার অধিনায়ক।

২০২০ সালে স্পোর্তিং সিপি থেকে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে পা রাখেন ফার্নান্দেজ। ইউনাইটেডের জার্সিতে তিনি গোল করেছেন ১১০টি, সহায়তা করেছেন ১০৬ গোলে। ২০০ গোল সম্পৃক্ততা হয়ে গেছে তার ৩১৪ ম্যাচেই, প্রিমিয়ার লিগ জমানায় যায় ইউনাইটেডের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তার চেয়ে দ্রুততায় পেরেছিলেন কেবল ক্লাব কিংবদন্তি ওয়েইন রুনি (২৯৫ ম্যাচে)।

পিএফএ বর্ষসেরা একাদশে পাঁচজন জায়গা পেয়েছেন চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল থেকে, রানার্স আপ ম্যানচেস্টার সিটি থেকে চারজন।

পিএফএ বর্ষসেরা একাদশ:

গোলকিপার: দাভিদ রাইয়া (আর্সেনাল)

রক্ষণভাগ: গাব্রিয়েল মাগালাইস (আর্সেনাল), নিকো ও’রাইলি (ম্যানচেস্টার সিটি), উইলিয়াম সালিবা (আর্সেনাল), জুরিয়েন টিম্বার (আর্সেনাল)

মাঝমাঠ: ব্রুনো ফার্নান্দেজ (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), ডেক্লান রাইস (আর্সেনাল), রায়ান শের্কি (ম্যানচেস্টার সিটি)।

আক্রমণভাগ: আর্লিং হলান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি), আন্তোয়ান সেমেনিও (ম্যানচেস্টার সিটি), ইগো চিয়াগো (ব্রেন্টফোর্ড)।