বগুড়ার শেরপুর ও ধুনট উপজেলার দুটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ দেশের ১১ জেলার ১৭টি স্কুল ও স্কুল অ্যান্ড কলেজ জাতীয়করণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর জাতীয়করণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সংখ্যা, পরীক্ষার ফলাফলসহ বিভিন্ন তথ্য চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৪ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব তানিয়া ফেরদৌসের সই করা এক চিঠিতে এসব তথ্য চাওয়া হয়। চিঠিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালককে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংসদ সদস্যদের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সেল থেকে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এতে সংশ্লিষ্ট উপজেলার আয়তন, ইউনিয়ন সংখ্যা, মোট জনসংখ্যা, ইতোমধ্যে জাতীয়করণ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ও জাতীয়করণের যৌক্তিকতা তুলে ধরতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থী সংখ্যা, শিক্ষক সংখ্যা ও বিগত পাঁচ বছরের পরীক্ষার ফলাফলসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয়করণের উদ্যোগ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—
গাজীপুরের চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, কালিয়াকৈর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কাওরাইদ কালী নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয়।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ী সেতারা রমণী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ধুনট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। গোপালগঞ্জের পূর্ব কোটালীপাড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও বাটিকামারী উচ্চ বিদ্যালয়।
সিলেটের লালাবাজার দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং কালীগঞ্জ এম ইলিয়াস আলী উচ্চ বিদ্যালয়।
এছাড়া দিনাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়, নাটোরের ডা. নাসির উদ্দিন তালুকদার উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশালের শোলক ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জের দিরাই উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদপুরের লস্করদিয়া আতিউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গোকর্ণ সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ঝিনাইদহ ওয়াজির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
তবে প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের পর এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শেরপুর নিউজ প্রতিবেদকঃ 
























