০৮:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, নিহত বেড়ে ১০

 

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানীতে একটি পর্যটন রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে, তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য। শনাক্ত হওয়া নিহতদের মধ্যে পাঁচজন নারী ও পাঁচ বছর বয়সী একটি শিশু রয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন পাটোয়ারটেক সৈকত এলাকায় অবস্থিত ‘টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ এ আগুনের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দগ্ধ আরও ছয়জন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহত যে ছয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন-ঢাকার বনশ্রী এলাকার ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁও এলাকার লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী শিশু ফায়িজান আহম্মেদ। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল ৬ জনের মরদেহ ও পরিচয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছয়জন হলেন-মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন এবং আহত ও দগ্ধ ব্যক্তিদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নেন। রিসোর্টের রান্নাঘরের চুল্লি থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও সার্বিক বিষয় তদন্ত করতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এদিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ জানান, রিসোর্টটি প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। প্রতিষ্ঠানটির ফায়ার সার্ভিসের কোনো লাইসেন্সও ছিল না। নিয়ম না মেনে পরিচালিত এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, নিহত বেড়ে ১০

Update Time : ০৭:০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

 

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানীতে একটি পর্যটন রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে, তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য। শনাক্ত হওয়া নিহতদের মধ্যে পাঁচজন নারী ও পাঁচ বছর বয়সী একটি শিশু রয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন পাটোয়ারটেক সৈকত এলাকায় অবস্থিত ‘টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ এ আগুনের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দগ্ধ আরও ছয়জন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহত যে ছয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন-ঢাকার বনশ্রী এলাকার ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁও এলাকার লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী শিশু ফায়িজান আহম্মেদ। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল ৬ জনের মরদেহ ও পরিচয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছয়জন হলেন-মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন এবং আহত ও দগ্ধ ব্যক্তিদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নেন। রিসোর্টের রান্নাঘরের চুল্লি থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও সার্বিক বিষয় তদন্ত করতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এদিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ জানান, রিসোর্টটি প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। প্রতিষ্ঠানটির ফায়ার সার্ভিসের কোনো লাইসেন্সও ছিল না। নিয়ম না মেনে পরিচালিত এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।