০৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেরপুর জেলা সদরে কালোবাজারে সার বিক্রি: ডিলারসহ কারাগারে ১৫

শেরপুরে কালোবাজারে ১৪ কোটি টাকার সার বিক্রির মামলায় ১০ বিসিআইসি ডিলারসহ ১৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে বিকালে তাদের জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান।

আসামিরা হচ্ছেন সার ডিলার মো. ফরহাদ আলী, মাজাহারুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, সুফিয়া বেগম, মরিয়ম আক্তার মুন্নী, তাপস নন্দী, সিরাজুল হক, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ও বোরহান উদ্দিন, ডিলার পরিচালনাকারী আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. বাদশা মিয়া ও জাকির হোসেন রতন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বরাদ্দের ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে শেরপুরের ১৫ ডিলারসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। গত ২২ জুলাই বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত মৌসুমে শেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের সার বিক্রির রেজিস্টার ও ক্যাশমেমো জব্দ করে যাচাই-বাছাই করলে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। অধিক মুনাফার আশায় ডিলাররা সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রি করেন। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পাশাপাশি কৃষকদের সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হন।

ওই মামলায় ডিলাররা কিছুদিন আগে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়ে আসেন। ওই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ মঙ্গলবার জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে নতুন করে জামিনের আবেদন করেন। পরে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির উভয়পক্ষের জামিন শুনানি শেষে আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ১৫ জনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুর জেলা সদরে কালোবাজারে সার বিক্রি: ডিলারসহ কারাগারে ১৫

শেরপুর জেলা সদরে কালোবাজারে সার বিক্রি: ডিলারসহ কারাগারে ১৫

Update Time : ০৮:০৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেরপুরে কালোবাজারে ১৪ কোটি টাকার সার বিক্রির মামলায় ১০ বিসিআইসি ডিলারসহ ১৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে বিকালে তাদের জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান।

আসামিরা হচ্ছেন সার ডিলার মো. ফরহাদ আলী, মাজাহারুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, সুফিয়া বেগম, মরিয়ম আক্তার মুন্নী, তাপস নন্দী, সিরাজুল হক, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ও বোরহান উদ্দিন, ডিলার পরিচালনাকারী আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. বাদশা মিয়া ও জাকির হোসেন রতন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বরাদ্দের ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে শেরপুরের ১৫ ডিলারসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। গত ২২ জুলাই বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত মৌসুমে শেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের সার বিক্রির রেজিস্টার ও ক্যাশমেমো জব্দ করে যাচাই-বাছাই করলে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। অধিক মুনাফার আশায় ডিলাররা সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রি করেন। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পাশাপাশি কৃষকদের সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হন।

ওই মামলায় ডিলাররা কিছুদিন আগে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়ে আসেন। ওই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ মঙ্গলবার জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে নতুন করে জামিনের আবেদন করেন। পরে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির উভয়পক্ষের জামিন শুনানি শেষে আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ১৫ জনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।