০২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

অনুকূল পরিবেশ না হ‌লে ভারত যাবেন না প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তা‌রেক রহমা‌নের ভারত সফ‌রের আগে অনুকূল পরিবেশ তৈ‌রির তা‌গিদ দি‌য়ে‌ছে বাংলা‌দেশ। ঢাকার চাওয়া, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত প্রত্যর্পণ চু‌ক্তির মাধ্যমে ফেরত এবং ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির স‌ন্দেহভাজন হত্যাকারী‌দের প্রত্যর্পণ কর‌বে দেশ‌টি।

রোববার (১৬ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে এক সং‌ক্ষিপ্ত ব্রিফিং‌য়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ের মুখাপত্র এ কে এম শহীদুল করিম প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নি‌য়ে সরকা‌রের এ অবস্থান তু‌লে ধ‌রেন।

মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশ এবং ভারতের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারতে একটি দ্বিপাক্ষিক সফরের সম্ভাবনা নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। ত‌বে সম্প্রতি দিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য মতবিনিময়ের ফলে এই প্রক্রিয়াটি বিঘ্নিত হয়েছে, যিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

শহীদুল করিম ব‌লেন, আমরা এই বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি। আমরা মনে করি যে, এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে আমরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের প্রত্যর্পণে যেন আমাদের অনুরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে।

তি‌নি ব‌লেন, আমাদের দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শহীদ ওসমান হাদির অভিযুক্ত খুনিদের বাংলাদেশের হাতে তুলে দিতে হবে। আমরা তাদের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।

মুখপাত্র ব‌লেন, আমরা পুনরায় বলছি যে, আমরা সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে আমাদের প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে যাব।

আগামী সেপ্টম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ নি‌তে আমন্ত্রণ জা‌নি‌য়ে‌ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ ছাড়া, প্রধানমন্ত্রী‌কে দ্বিপক্ষীয় সফ‌রের জন্যও আমন্ত্রণ জা‌নি‌য়ে‌ছে ভারত।

সম্প্রতি শেখ হা‌সিনা‌কে দি‌ল্লি‌তে বক্তব্য দেওয়ার সু‌যোগ ক‌রে দেওয়া‌কে কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস স‌ম্মেল‌নে অংশগ্রহণ নি‌য়ে অ‌নিশ্চয়তা তৈ‌রি হয়। প‌রে অবশ্য ঢাকা-‌দি‌ল্লির কূট‌নৈ‌তিক তৎফরতায় প্রধানমন্ত্রী‌র দ্বিপক্ষীয় সফর নি‌য়ে আলোচনা শুরু হয়।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

শেরপুরে জাতীয় মৎস্যপক্ষে তিন সফল মৎস্যচাষীকে সম্মাননা

অনুকূল পরিবেশ না হ‌লে ভারত যাবেন না প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০৪:১৬:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তা‌রেক রহমা‌নের ভারত সফ‌রের আগে অনুকূল পরিবেশ তৈ‌রির তা‌গিদ দি‌য়ে‌ছে বাংলা‌দেশ। ঢাকার চাওয়া, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত প্রত্যর্পণ চু‌ক্তির মাধ্যমে ফেরত এবং ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির স‌ন্দেহভাজন হত্যাকারী‌দের প্রত্যর্পণ কর‌বে দেশ‌টি।

রোববার (১৬ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে এক সং‌ক্ষিপ্ত ব্রিফিং‌য়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ের মুখাপত্র এ কে এম শহীদুল করিম প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নি‌য়ে সরকা‌রের এ অবস্থান তু‌লে ধ‌রেন।

মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশ এবং ভারতের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারতে একটি দ্বিপাক্ষিক সফরের সম্ভাবনা নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। ত‌বে সম্প্রতি দিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য মতবিনিময়ের ফলে এই প্রক্রিয়াটি বিঘ্নিত হয়েছে, যিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

শহীদুল করিম ব‌লেন, আমরা এই বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি। আমরা মনে করি যে, এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে আমরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের প্রত্যর্পণে যেন আমাদের অনুরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে।

তি‌নি ব‌লেন, আমাদের দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শহীদ ওসমান হাদির অভিযুক্ত খুনিদের বাংলাদেশের হাতে তুলে দিতে হবে। আমরা তাদের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।

মুখপাত্র ব‌লেন, আমরা পুনরায় বলছি যে, আমরা সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে আমাদের প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে যাব।

আগামী সেপ্টম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ নি‌তে আমন্ত্রণ জা‌নি‌য়ে‌ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ ছাড়া, প্রধানমন্ত্রী‌কে দ্বিপক্ষীয় সফ‌রের জন্যও আমন্ত্রণ জা‌নি‌য়ে‌ছে ভারত।

সম্প্রতি শেখ হা‌সিনা‌কে দি‌ল্লি‌তে বক্তব্য দেওয়ার সু‌যোগ ক‌রে দেওয়া‌কে কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস স‌ম্মেল‌নে অংশগ্রহণ নি‌য়ে অ‌নিশ্চয়তা তৈ‌রি হয়। প‌রে অবশ্য ঢাকা-‌দি‌ল্লির কূট‌নৈ‌তিক তৎফরতায় প্রধানমন্ত্রী‌র দ্বিপক্ষীয় সফর নি‌য়ে আলোচনা শুরু হয়।