০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

আফগানিস্তানের কাছে লজ্জাজনক হার টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় বাংলাদেশের

 

আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুধু জিতলেই হবে না, ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠতে হলে ৪১ রানে জয়ের ব্যবধান রাখতে হবে বাংলাদেশকে। এমন সমীকরণের ম্যাচটি সাত উইকেটে হেরেছে তাওহীদ হৃদয়রা।

বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় শারজায় ম্যাচটি শুরু হয়।

বাংলাদেশের দেয়া ১৬১ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ৩৫.৩ বলে মাত্র তিন উইকেে হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফগানরা।

১১৯ রানে আফগানদের অলআউট করতে না পারলে টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশের বিদায়। এত কম রানে আফগানদের আটকাতে পারেনি বাংলাদেশ। বরং ৩ উইকেট হারিয়েই ১১৯ রান পার করে ফেলে তারা। ফলে খেলা চলা অবস্থায়ই বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের।

অর্থাৎ ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে খেলবে আফগানিস্তান আর জিম্বাবুয়ে।

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ ৪১.২ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৬০ রান তোলে। ইনিংসের শুরু থেকেই আফগান বোলারদের সামনে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। দলীয় ৬ রানেই মাত্র এক রান করে ক্যাচ দেন তানজিদ হাসান।

এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ২৩ বলে ১৫ রান করে আউট হন। অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ও দুই বল খেলে কোনো রান না করেই ফেরেন। মাত্র ২৮ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।

সেই বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসান।

পঞ্চম উইকেটে দুজনের ৯৩ রানের জুটি বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফেরার আশা দেখায়। ৮২ বলে ৪১ রান করে মোহাম্মদ নবীর বলে আউট হন সাইফ।

সাইফের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজও। মাত্র ২ রান করে বিলাল সামির বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। এরপরও এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান ইমন। তার ব্যাটে আসে বাংলাদেশের ইনিংসের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ একটি ফিফটি।

তবে ইমনের লড়াইও শেষ পর্যন্ত দলকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারেনি। ৭০ রানে অষ্টম ব্যাটার হিসেবে আউট হন তিনি। এরপর আলিস আল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান কোনো রান না করেই বিদায় নিলে ১৬০ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। তাসকিন আহমেদ ২ রানে অপরাজিত থাকেন।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

আগামী ৩১ অক্টোবর জামায়াতের ঢাকা থেকে খুলনা,যশোর হয়ে কুষ্টিয়া লংমার্চ

আফগানিস্তানের কাছে লজ্জাজনক হার টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় বাংলাদেশের

Update Time : ০৭:৫৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

 

আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুধু জিতলেই হবে না, ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠতে হলে ৪১ রানে জয়ের ব্যবধান রাখতে হবে বাংলাদেশকে। এমন সমীকরণের ম্যাচটি সাত উইকেটে হেরেছে তাওহীদ হৃদয়রা।

বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় শারজায় ম্যাচটি শুরু হয়।

বাংলাদেশের দেয়া ১৬১ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ৩৫.৩ বলে মাত্র তিন উইকেে হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফগানরা।

১১৯ রানে আফগানদের অলআউট করতে না পারলে টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশের বিদায়। এত কম রানে আফগানদের আটকাতে পারেনি বাংলাদেশ। বরং ৩ উইকেট হারিয়েই ১১৯ রান পার করে ফেলে তারা। ফলে খেলা চলা অবস্থায়ই বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের।

অর্থাৎ ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে খেলবে আফগানিস্তান আর জিম্বাবুয়ে।

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ ৪১.২ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৬০ রান তোলে। ইনিংসের শুরু থেকেই আফগান বোলারদের সামনে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। দলীয় ৬ রানেই মাত্র এক রান করে ক্যাচ দেন তানজিদ হাসান।

এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ২৩ বলে ১৫ রান করে আউট হন। অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ও দুই বল খেলে কোনো রান না করেই ফেরেন। মাত্র ২৮ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।

সেই বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসান।

পঞ্চম উইকেটে দুজনের ৯৩ রানের জুটি বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফেরার আশা দেখায়। ৮২ বলে ৪১ রান করে মোহাম্মদ নবীর বলে আউট হন সাইফ।

সাইফের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজও। মাত্র ২ রান করে বিলাল সামির বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। এরপরও এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান ইমন। তার ব্যাটে আসে বাংলাদেশের ইনিংসের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ একটি ফিফটি।

তবে ইমনের লড়াইও শেষ পর্যন্ত দলকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারেনি। ৭০ রানে অষ্টম ব্যাটার হিসেবে আউট হন তিনি। এরপর আলিস আল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান কোনো রান না করেই বিদায় নিলে ১৬০ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। তাসকিন আহমেদ ২ রানে অপরাজিত থাকেন।