০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

সারিয়াকান্দিতে এক ফিলিং স্টেশন ও তিন বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

 

বগুড়া সারিয়াকান্দির আলো ফিলিং স্টেশনসহ তিন বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিভিয়ে ফেলে। বগুড়া সারিয়াকান্দির ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের জোরগাছা মধ্যপাড়া গ্রামের আলো ফিলিং স্টেশনে মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে আগুন লাগে।

দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত পুরো ফিলিংস্টেশনে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তিনটি বসতবাড়িতেও আগুন লাগে। উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের মধ্যে জোরগাছা গ্রামের নাসিম মিয়া, নাসিম মিয়ার মা এবং মান্নান মিয়ার বাড়ি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
পরে খবর পেয়ে সারিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিস, গাবতলি ফায়ার সার্ভিস এবং বগুড়া জেলা ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় ২ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিভিয়ে ফেলে। এ ঘটনায় আলো ফিলিং স্টেশনের ৩০ লক্ষাধিক টাকার তেল এবং অটোরিকশার নতুন বেশকিছু ব্যাটারি পুড়ে গেছে বলে ফায়ার সার্ভিসের সূত্রে জানা গেছে।

এর মধ্যে রয়েছে, পেট্রল ৩ হাজার লিটার, অকটেন ৪০০ লিটার, ডিজেল ৪ হাজর ৫০০ লিটার, নতুন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ৫টি, অটোরিকশার ব্যাটারি ৫৫ টি, নগদ ৩০ হাজার টাকা এবং মোটরসাইকেল পার্টস। আলো ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী মহিদুল ইসলাম বলেন, ফিলিং স্টেশনে আগুনের ঘটনায় আমি একেবারেই নিঃস্ব হয়েছি। ব্যারেলে যতটুকু তেল ছিল তার সবটুকুই নষ্ট হয়েছে, সবগুলো ব্যারেল বিস্ফোরিত হয়েছে এবং বিক্রির জন্য রাখা বেশকিছু অটোরিকশার ব্যাটারি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মনে হয় আমি আর উঠে দাঁড়াতে পারবো না।

সারিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার লিডার সুজন মিয়া বলেন, গামলা থেকে বোতলে তেল ভরানোর সময় আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে স্থানিয় সূত্রে জানা গেছে। সেসময় আগুনে প্রথম ফম দিয়ে স্প্রে করে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে আগুন আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ে।

তার কারণ স্টেশনের রাস্তা খুবই খারাপ। উঁচু নিঁচু রাস্তা পাড়ি দিয়ে আমাদের ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ২ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। এতে ৩টি বসতবাড়ি এবং ফিলিং স্টেশনের ৩০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

 

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

শেরপুরে মাদকসহ ৪ জন গ্রেপ্তার, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

সারিয়াকান্দিতে এক ফিলিং স্টেশন ও তিন বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

Update Time : ০৭:৩১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

 

বগুড়া সারিয়াকান্দির আলো ফিলিং স্টেশনসহ তিন বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিভিয়ে ফেলে। বগুড়া সারিয়াকান্দির ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের জোরগাছা মধ্যপাড়া গ্রামের আলো ফিলিং স্টেশনে মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে আগুন লাগে।

দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত পুরো ফিলিংস্টেশনে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তিনটি বসতবাড়িতেও আগুন লাগে। উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের মধ্যে জোরগাছা গ্রামের নাসিম মিয়া, নাসিম মিয়ার মা এবং মান্নান মিয়ার বাড়ি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
পরে খবর পেয়ে সারিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিস, গাবতলি ফায়ার সার্ভিস এবং বগুড়া জেলা ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় ২ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিভিয়ে ফেলে। এ ঘটনায় আলো ফিলিং স্টেশনের ৩০ লক্ষাধিক টাকার তেল এবং অটোরিকশার নতুন বেশকিছু ব্যাটারি পুড়ে গেছে বলে ফায়ার সার্ভিসের সূত্রে জানা গেছে।

এর মধ্যে রয়েছে, পেট্রল ৩ হাজার লিটার, অকটেন ৪০০ লিটার, ডিজেল ৪ হাজর ৫০০ লিটার, নতুন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ৫টি, অটোরিকশার ব্যাটারি ৫৫ টি, নগদ ৩০ হাজার টাকা এবং মোটরসাইকেল পার্টস। আলো ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী মহিদুল ইসলাম বলেন, ফিলিং স্টেশনে আগুনের ঘটনায় আমি একেবারেই নিঃস্ব হয়েছি। ব্যারেলে যতটুকু তেল ছিল তার সবটুকুই নষ্ট হয়েছে, সবগুলো ব্যারেল বিস্ফোরিত হয়েছে এবং বিক্রির জন্য রাখা বেশকিছু অটোরিকশার ব্যাটারি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মনে হয় আমি আর উঠে দাঁড়াতে পারবো না।

সারিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার লিডার সুজন মিয়া বলেন, গামলা থেকে বোতলে তেল ভরানোর সময় আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে স্থানিয় সূত্রে জানা গেছে। সেসময় আগুনে প্রথম ফম দিয়ে স্প্রে করে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে আগুন আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ে।

তার কারণ স্টেশনের রাস্তা খুবই খারাপ। উঁচু নিঁচু রাস্তা পাড়ি দিয়ে আমাদের ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ২ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। এতে ৩টি বসতবাড়ি এবং ফিলিং স্টেশনের ৩০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।