বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়ন দীর্ঘদিন অবহেলিত ও দুর্ভোগ পোহানোর পর অবশেষে ভূঁইপুর গ্রামের ইরামতি খালের উপর ব্রিজ বা সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ উন্নয়ন-২ শাখা থেকে অনুমোদন পেয়েছে। এর ফলে ৬ থেকে ৭ টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ লাঘব হতে যাচ্ছে।
সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ, উন্নয়ন-২ শাখা সিনিয়র সহকারী সচিব এ.বি.এম আরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পত্রে জানা গেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদারের ডিও পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ভূঁইপুর ও মুথুরাপুর গ্রামের ইরামতি খালের উপর ব্রিজ নির্মানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে প্রেরিত পত্রে স্থানীয় সরকার বিভাগের বাস্তবায়নধীন নতুন/চলমান প্রকল্পের আওতায় ভূঁইপুর ইরামতি খালের উপর ব্রিজ বা সেতু নির্মাণের জন্য স্কিম গ্রহণ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
এলাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবি এই ইরামতি খালের উপর একটি ব্রিজ নির্মাণের। বহুবার জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচারনায় এসে অনেক জনপ্রতিনিধি খালটির উপর একটি ব্রিজ নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিলেও, নির্বাচিত হয়ে আর কেউ কথা রাখেনি। ফলে এলাকার মানুষকে ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার পথ ঘুরে চলাচল করতে হয়। গ্রামবাসী স্বেচ্ছা শ্রমের মাধ্যমে বাঁশ দিয়ে খালটির উপর অস্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করে। যে কোন যান্ত্রিক যানবাহন নিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে এই গ্রামসহ ৬ থেকে ৭ টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষকে প্রায় ৬ থেকে ৭ কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হয়। এ ক্ষেত্রে মহিলা, শিশুসহ বৃদ্ধদের দুর্ভোগ আরও বেশী।শিপিং লাইন বাছুন
গত মঙ্গলবার দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি এলাকার সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার জানান, উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ভূঁইপুর ও মুথুরাপুর গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ইরামতি খালের উপর একটি ব্রিজ নির্মানের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। উক্ত খালের উপর ব্রিজ নির্মানের জন্য সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ উন্নয়ন-২ শাখায় ডিও লেটার (আধা-সরকারি পত্র) প্রদান করেন।
তার ডিও লেটারের ভিত্তিতেই স্থানীয় সরকার বিভাগের বাস্তবায়নাধীন নতুন/চলমান প্রকল্পের আওতায় ভূঁইপুর ইরামতি খালের উপর ব্রিজ বা সেতু নির্মাণের জন্য স্কিম অনুমোদন পেয়েছে। উপজেলার প্রকৌশলী আবু তালিম হোসেন জানান, স্কীমটি অনুমোদন পেলেও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে নির্দেশনামূলক পত্র পাওয়ার পরই সরজমিনে যথাযথ ভাবে যাচাই এর মাধ্যমে স্কীম তৈরি করা হবে। পরে স্কীমটি অনুমোদন সহ প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করা হবে বলে তিনি জানান।
শেরপুর নিউজ প্রতিবেদকঃ 






















