০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা

চলতি বছরের ডিসেম্বর ও আগামী বছরের জানুয়ারিতে দেশে একাধিক শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। এ দুই মাসে দেশের ওপর দিয়ে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে। বুধবার (৪ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশিত দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ সময়ে দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে। তবে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে। এতে তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকলেও শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা অনুযায়ী তাপমাত্রার সীমা নির্ধারণ করা হয়। মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সময় তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা থাকবে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে। আর তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সময় তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।

ফলে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বাড়ার পাশাপাশি ঘন কুয়াশার প্রভাবও থাকতে পারে।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা

Update Time : ০৭:১৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

চলতি বছরের ডিসেম্বর ও আগামী বছরের জানুয়ারিতে দেশে একাধিক শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। এ দুই মাসে দেশের ওপর দিয়ে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে। বুধবার (৪ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশিত দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ সময়ে দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে। তবে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে। এতে তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকলেও শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা অনুযায়ী তাপমাত্রার সীমা নির্ধারণ করা হয়। মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সময় তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা থাকবে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে। আর তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সময় তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।

ফলে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বাড়ার পাশাপাশি ঘন কুয়াশার প্রভাবও থাকতে পারে।