০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

আদমদীঘিতে ৫৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্র: শিক্ষক নেই

 

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় ৯৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টিতে প্রধান শিক্ষক নেই। প্রশাসন ও শ্রেনি পাঠদান চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে। ফলে শিক্ষকদের শিক্ষাদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অতি সত্ত্বর এসব প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিক্ষাদানের পথ সুযোগ করা প্রয়োজন বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, অত্র আদমদীঘি উপজেলায় ৯৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক রয়েছে মাত্র ৪১টি বিদ্যালয়ে। অবশিষ্ট ৫৭ বিদ্যালয়ে কার্যক্রম চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে। এই উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষক রয়েছে ৫৬২ জন। শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার।

যে ৫৭টি বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রয়েছে সেসব বিদ্যালয়ে চেন অব কমান্ড অত্যন্ত দুর্বল। ফলে শিক্ষাদানে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয় বলে অভিভাবকরা অভিযোগ করেন। এছাড়া দীর্ঘদিন থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের তদারকি ছিল না।

সম্প্রতি ম্যানেজিং কমিটি গঠন সমাপ্ত হওয়ায় শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছুটা পরিবর্তন হলেও ৫৭টি বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কারণে প্রশাসনিক তকার্যক্রম ও শিক্ষাদানে জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে বলে শিক্ষাবিদরা মনে করেন।

এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবদুর রহিম প্রধান জানান, বর্তমান সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে যথেষ্ট আন্তরিক। পদোন্নতি ব্যবস্থা চালু করলে এই সমস্যা কেটে যাবে। প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হলে শ্রেনি পাঠদান বৃদ্ধি পাবে বলে আশা রাখি।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

পরাজিত শক্তির কালো টাকা দিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চক্রান্ত চলছে: রিজভী

আদমদীঘিতে ৫৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্র: শিক্ষক নেই

Update Time : ০৬:৪৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

 

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় ৯৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টিতে প্রধান শিক্ষক নেই। প্রশাসন ও শ্রেনি পাঠদান চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে। ফলে শিক্ষকদের শিক্ষাদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অতি সত্ত্বর এসব প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিক্ষাদানের পথ সুযোগ করা প্রয়োজন বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, অত্র আদমদীঘি উপজেলায় ৯৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক রয়েছে মাত্র ৪১টি বিদ্যালয়ে। অবশিষ্ট ৫৭ বিদ্যালয়ে কার্যক্রম চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে। এই উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষক রয়েছে ৫৬২ জন। শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার।

যে ৫৭টি বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রয়েছে সেসব বিদ্যালয়ে চেন অব কমান্ড অত্যন্ত দুর্বল। ফলে শিক্ষাদানে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয় বলে অভিভাবকরা অভিযোগ করেন। এছাড়া দীর্ঘদিন থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের তদারকি ছিল না।

সম্প্রতি ম্যানেজিং কমিটি গঠন সমাপ্ত হওয়ায় শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছুটা পরিবর্তন হলেও ৫৭টি বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কারণে প্রশাসনিক তকার্যক্রম ও শিক্ষাদানে জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে বলে শিক্ষাবিদরা মনে করেন।

এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবদুর রহিম প্রধান জানান, বর্তমান সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে যথেষ্ট আন্তরিক। পদোন্নতি ব্যবস্থা চালু করলে এই সমস্যা কেটে যাবে। প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হলে শ্রেনি পাঠদান বৃদ্ধি পাবে বলে আশা রাখি।