সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহাকারী শিক্ষকদের পদনাম পরিবর্তনে অসম্মতি জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, এতে পরবর্তীতে প্রশাসনিক জটিলতা বাড়বে পারে এবং পদনাম পরিবর্তন হলে শিক্ষামান উন্নতিতে কোনো ভূমিকা রাখবে না।
গত মাসের শেষের দিকে বিষয়টি মন্ত্রণালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানানো হয়েছে। আজ রবিবার অধিদপ্তর থেকে এক স্মারকে এবিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত মে মাসে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক’ পদনাম পরিবর্তন করে ‘শিক্ষক’ ও ‘পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক’ পদনাম পরিবর্তন করে ‘সহকারী ইন্সট্রাক্টর (পরীক্ষণ বিদ্যালয়)’ পদনাম করার প্রস্তাব দেওয়া হয় অর্থ বিভাগে। তবে গত সেপ্টেম্বর মাসে অর্থ বিভাগ এ বিষয়ে অসম্মতি জানিয়েছে।
অসম্মতি জানিয়ে অর্থ বিভাগ বলছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষক পদনাম পরিবর্তন করা হলে অদূর ভবিষ্যতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে নতুন করে প্রশাসনিক জটিলতার উদ্ভব হতে পারে। তাছাড়া এ ধরনের পদনাম পরিবর্তনে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে কোনো ভূমিকা রাখবে না।
‘‘এ অবস্থায় ‘পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক’ পদনাম পরিবর্তন করে ‘সহকারী ইন্সট্রাক্টর (পরীক্ষণ বিদ্যালয়)’ ও ‘সহকারী শিক্ষক’ পদনাম পরিবর্তন করে ‘শিক্ষক’ পদনাম করা যৌক্তিক নয় বিবেচনায় অর্থ বিভাগের অসম্মতি নির্দেশক্রমে জ্ঞাপন করা হল।’’
আজ অধিদপ্তর থেকে এক স্মারকে বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক স্মারকে পত্রের আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন ‘পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক’ ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক’ এর পদনাম পরিবর্তন করার প্রস্তাবে অর্থ বিভাগের অসম্মতি জানিয়েছে।
শেরপুর নিউজ প্রতিবেদকঃ 

























