যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে ১৭ বছরের এক কিশোর ছাত্রের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর দায়ে হিদার ম্যাশবার্ন-স্মিথ (৩৭) নামের এক শিক্ষিকাকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পোর্ট শার্লট হাই স্কুলের এই শিক্ষিকা স্কুল প্রাঙ্গণেই ওই ছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত তাকে ১৫ বছরের জন্য ‘সেক্স অফেন্ডার প্রোভেশন’ বা নজরদারিতে রাখার আদেশ দিয়েছেন।
গত এপ্রিলে গ্রেফতার হওয়ার পর সম্প্রতি আদালতে নিজের অপরাধ মেনে নেন ওই শিক্ষিকা। তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত এপ্রিল মাসেই তিনি স্কুলের ভেতরে ওই ছাত্রের সঙ্গে অন্তত দুইবার অনৈতিক কাজে লিপ্ত হন।
ফ্লোরিডার আইন অনুযায়ী শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সম্মতির সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর। কিন্তু ওই ছাত্রের বয়স ১৭ বছর হওয়ায় এবং একজন শিক্ষক হিসেবে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করায় বিষয়টিকে অত্যন্ত মারাত্মক অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
শার্লট কাউন্টির শেরিফ বিল প্রুমেল এই ঘটনার কঠোর নিন্দা জানিয়ে বলেন, শিক্ষক হিসেবে যাদের ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষা দেওয়ার কথা, তিনি নিজেই সেই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ছেলেটিকে ফাঁদে ফেলেছেন। তার এই কাজ শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক।
গ্রেফতারের পরেই স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই শিক্ষিকাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে। পুলিশের কাছেও তিনি নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছিলেন। আদালত জানিয়েছে, বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন হাজতে কাটানো ১১৮ দিন তার মূল কারাদণ্ড থেকে বাদ দেওয়া হবে।
সূত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্ট।
শেরপুর নিউজ প্রতিবেদকঃ 


























