২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে সরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠান থেকে আরও ৩ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন সার কেনা হচ্ছে। এ জন্য ব্যয় হবে ২ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ইউরিয়া ৭০ হাজার টন, এমওপি ১ লাখ ১৫ হাজার টন, ডিএপি ১ লাখ ২০ হাজার এবং টিএসপি ৬০ হাজার টন।
আজ সোমবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানি করা হবে। এতে ব্যয় হবে ১৮৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। প্রতি টনের দাম পড়বে ৩৮০ দশমিক ৮৩ ডলার।
রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন প্রোডিনটর্গের সঙ্গে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় আমদানি করা হবে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার। এ জন্য ব্যয় হবে ১৬৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। প্রতি টনের মূল্য ৩৮৩ দশমিক ৮০ ডলার।
মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপসের সঙ্গে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার টন করে দুটি লটে মোট ৮০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানি করা হবে। এর মধ্যে একটি লটে ব্যয় হবে ৪৪৩ কোটি ৬ লাখ টাকা এবং অন্য লটে ব্যয় হবে ৪৪২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।
একই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির আওতায় ৩০ হাজার টন করে আরও দুটি লটে ৬০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানি করা হবে। এর মধ্যে একটি লটে ব্যয় হবে ২৫২ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে প্রতি টনের মূল্য পড়ছে ৬৭৮ ডলার। অন্য লটে ব্যয় হবে ২৪৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা এবং এক্ষেত্রে প্রতি টনের মূল্য ৬৬৮ ডলার।
এছাড়া কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশনের সঙ্গে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় দুটি লটে ৪০ হাজার টন করে মোট ৮০ হাজার টন এমওপি সার আমদানি করা হবে। একটি লটের ক্রয়মূল্য ১৯০ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং অন্য লটের ক্রয়মূল্য ১৮৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। উভয় লটেই প্রতি টনের দাম ৩৮৩ দশমিক ৮০ ডলার।
রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সৌদি আরবের মাদেন এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৪৪০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। প্রতি টনের দাম ৮৯১ ডলার।
বৈঠকে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড বা কাফকোর কাছ থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৩৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। প্রতি টনের মূল্য ৩৫৯ দশমিক ৫০ ডলার।
শেরপুর নিউজ প্রতিবেদকঃ 




















