১০:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

শেরপুরে গাছ ও বাঁশ কাটায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

 

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় একই জমির মালিকানা দাবিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা এবং গাছ ও বাঁশ কর্তনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল চারটায় উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় চরম উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিতর্কিত ওই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইদ্রিস আলী ও আবুল কালামের পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার বিকেলে জমিটি দখল করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিলে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে শেরপুর থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে উভয় পক্ষকে বিরোধপূর্ণ জমিতে যেতে নিষেধাজ্ঞা দেয়।
ইদ্রিস আলীর অভিযোগ, গত ৩০ বছর ধরে জমিটি তারা ভোগদখল করে আসছেন। শুক্রবার দুপুরে আবুল কালাম, আমজাদ হোসেন ও রুবেলসহ ১০-১২ জনের একটি দল জোরপূর্বক জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ১০০টি বাঁশ ও বেশ কয়েকটি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এতে তাদের প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ইদ্রিস আলী বলেন, আমরা বাধা দিতে গেলে তারা আমাদের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে চলে যায়।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আবুল কালাম জানান, জমিটি প্রকৃতপক্ষে তাদের। উল্টো তাদের ফাঁসাতে এবং জমিটি দখলের উদ্দেশ্যে ইদ্রিস আলীর লোকজনই গাছ কেটে তাদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে জমিটি ইদ্রিস আলী ভোগদখল করে আসলেও আবুল কালামদের পক্ষে বৈধ কাগজপত্র রয়েছে বলে তারা দাবি করে আসছেন।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম মঈনুদ্দীন জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা এড়াতে আপাতত বিরোধপূর্ণ জমিতে উভয় পক্ষের যাতায়াত স্থগিত রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

শেরপুরে গাছ ও বাঁশ কাটায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

Update Time : ০৮:১৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

 

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় একই জমির মালিকানা দাবিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা এবং গাছ ও বাঁশ কর্তনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল চারটায় উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় চরম উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিতর্কিত ওই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইদ্রিস আলী ও আবুল কালামের পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার বিকেলে জমিটি দখল করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিলে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে শেরপুর থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে উভয় পক্ষকে বিরোধপূর্ণ জমিতে যেতে নিষেধাজ্ঞা দেয়।
ইদ্রিস আলীর অভিযোগ, গত ৩০ বছর ধরে জমিটি তারা ভোগদখল করে আসছেন। শুক্রবার দুপুরে আবুল কালাম, আমজাদ হোসেন ও রুবেলসহ ১০-১২ জনের একটি দল জোরপূর্বক জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ১০০টি বাঁশ ও বেশ কয়েকটি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এতে তাদের প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ইদ্রিস আলী বলেন, আমরা বাধা দিতে গেলে তারা আমাদের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে চলে যায়।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আবুল কালাম জানান, জমিটি প্রকৃতপক্ষে তাদের। উল্টো তাদের ফাঁসাতে এবং জমিটি দখলের উদ্দেশ্যে ইদ্রিস আলীর লোকজনই গাছ কেটে তাদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে জমিটি ইদ্রিস আলী ভোগদখল করে আসলেও আবুল কালামদের পক্ষে বৈধ কাগজপত্র রয়েছে বলে তারা দাবি করে আসছেন।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম মঈনুদ্দীন জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা এড়াতে আপাতত বিরোধপূর্ণ জমিতে উভয় পক্ষের যাতায়াত স্থগিত রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।