গ্রাম আদালত পরিচালনার ক্ষেত্রে সেরা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও চেয়ারম্যানকে স্বীকৃতি ও প্রণোদনা দেবে সরকার। এ লক্ষ্যে দেশের সব জেলা প্রশাসককে নিজ নিজ জেলার ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মধ্য থেকে সেরা গ্রাম আদালত পরিচালনাকারী ইউপি ও সেরা চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ-২ শাখা থেকে গত ১৭ আগস্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই গ্রাম আদালত পরিচালনা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে উৎকর্ষতা অর্জনকারী ইউনিয়ন পরিষদগুলোকে স্বীকৃতি ও প্রণোদনা দেওয়া হলে অন্য ইউনিয়ন পরিষদগুলোও গ্রাম আদালতের কার্যক্রমের মানোন্নয়নে উৎসাহিত হবে। একই সঙ্গে দেশব্যাপী একটি ইতিবাচক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
এ জন্য জেলা প্রশাসকদের নিজ নিজ জেলার আওতাধীন ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মধ্য থেকে বার্ষিক নির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে ‘সেরা গ্রাম আদালত কার্যক্রম পরিচালনাকারী ইউনিয়ন পরিষদ ও সেরা চেয়ারম্যান’ নির্বাচন করতে বলা হয়েছে। নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যানকে স্থানীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি ও প্রণোদনা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
সেরা ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যান নির্বাচনে পাঁচটি সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদে সরাসরি দায়ের করা মোট মামলা, নারী আবেদনকারী ও মামলা নিষ্পত্তির হার; মামলা সমাধানে প্রাক-বিচার ও শুনানি প্রক্রিয়া অনুসরণের হার; গ্রাম আদালতের নথি লিখন ও ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত ধাপ অনুসরণ এবং যথাযথভাবে নথি সংরক্ষণ।
এ ছাড়া গ্রাম আদালতে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং গ্রাম আদালত পরিচালনায় চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরের সক্ষমতা এবং জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচার-প্রচারণার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
প্রতিটি সূচকের সর্বোচ্চ অর্জিত মান ১০ নির্ধারণ করা হয়েছে। পাঁচটি সূচকে সর্বোচ্চ মান অর্জনকারী ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মধ্য থেকে জেলা ভিত্তিতে সেরা ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যান নির্বাচন করা যেতে পারে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
শেরপুর নিউজ প্রতিবেদকঃ 






















