১২:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

শাজাহানপুরে মাদকাসক্ত যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

 

বগুড়ার শাজাহানপুরে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে মনির খা (৩১) নামের মাদকাসক্ত এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। নিহত মনির খা শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের জলিল খা’র ছেলে। সে পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেল ৪ টায় পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের মা মনোয়ারা খাতুন জানান, মনির খা দীর্ঘদিন যাবত মাদকাসক্ত ছিল। গত সোমবার দিবাগত রাত ১২টায় ডিবি পুলিশের একটি দল রামচন্দ্রপুর পশ্চিমপাড়াস্থ মনির খা’র বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার কাছ থেকে ১পিস ইয়াবা জব্দ করে। এ সময় মনির খা কৌশলে পালিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যদের ধারণা ছিল মনির খা’কে সোমবার রাতেই পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। তাই বিগত ৩ দিন যাবত মনির খা’র খোঁজ করেনি তার পরিবার। একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে রামচন্দ্রপুর পশ্চিমপাড়াস্থ প্রবাসী আব্দুস সালামের বসতবাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হলে বিষয়টি প্রতিবেশিদের নজরে আসে।

স্থানীয়দের ধারণা ডিবি পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে সোমবার রাতে দৌড়ে গিয়ে প্রবাসী আব্দুস সালামের বসতবাড়ির পরিত্যক্ত ঘরে আশ্রয় নিয়েছিল মনির খা। সেখানে হার্ট এ্যাটাকে তার মৃত্যু হয় বলে অনুমান করা হচ্ছে। স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে শাজাহানপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। শাজাহানপুর থানার ওসি মো. আশিক ইকবাল জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে বিকেলে থানা পুলিশের একটি দল রামচন্দ্রপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে মনির খা নামের এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি আরও জানান, মনির খা মাদকাসক্ত ছিল। তবে কি কারণে কিভাবে মনির খা’র মৃত্যু হয়েছে তা জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

শাজাহানপুরে মাদকাসক্ত যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

Update Time : ০৬:১২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

 

বগুড়ার শাজাহানপুরে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে মনির খা (৩১) নামের মাদকাসক্ত এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। নিহত মনির খা শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের জলিল খা’র ছেলে। সে পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেল ৪ টায় পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের মা মনোয়ারা খাতুন জানান, মনির খা দীর্ঘদিন যাবত মাদকাসক্ত ছিল। গত সোমবার দিবাগত রাত ১২টায় ডিবি পুলিশের একটি দল রামচন্দ্রপুর পশ্চিমপাড়াস্থ মনির খা’র বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার কাছ থেকে ১পিস ইয়াবা জব্দ করে। এ সময় মনির খা কৌশলে পালিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যদের ধারণা ছিল মনির খা’কে সোমবার রাতেই পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। তাই বিগত ৩ দিন যাবত মনির খা’র খোঁজ করেনি তার পরিবার। একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে রামচন্দ্রপুর পশ্চিমপাড়াস্থ প্রবাসী আব্দুস সালামের বসতবাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হলে বিষয়টি প্রতিবেশিদের নজরে আসে।

স্থানীয়দের ধারণা ডিবি পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে সোমবার রাতে দৌড়ে গিয়ে প্রবাসী আব্দুস সালামের বসতবাড়ির পরিত্যক্ত ঘরে আশ্রয় নিয়েছিল মনির খা। সেখানে হার্ট এ্যাটাকে তার মৃত্যু হয় বলে অনুমান করা হচ্ছে। স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে শাজাহানপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। শাজাহানপুর থানার ওসি মো. আশিক ইকবাল জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে বিকেলে থানা পুলিশের একটি দল রামচন্দ্রপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে মনির খা নামের এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি আরও জানান, মনির খা মাদকাসক্ত ছিল। তবে কি কারণে কিভাবে মনির খা’র মৃত্যু হয়েছে তা জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।