০৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

হাই স্কুল-মাদরাসায় বড় নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার

দেশের হাই স্কুল ও মাদরাসাগুলোতে প্রায় ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকায় একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘হাই স্কুল ও মাদরাসায় প্রায় ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। সেটা দেওয়ার আগে যাদের বিভিন্ন দূর-দূরান্তে পোস্টিং রয়েছে, তাদের ট্রান্সফারের ব্যবস্থা করছি। আজকালের মধ্যেই সেটা শুরু করতে যাচ্ছি। ট্রান্সফারের বিষয়টার পর আমরা নিউ রিক্রুটমেন্টের দিকে যাচ্ছি।’

বদলির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি চালু হওয়ার পর দেখা যাবে। এখনই এই প্রশ্ন কেন?’

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের অবসর ভাতা সারা দেশে সবাইকে দেওয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তুতিও মোটামুটি সব ক্ষেত্রেই শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকসংকট রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নেই। এ সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। পাবলিক স্কুলগুলোতে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের লিখিত পরীক্ষা শেষ করার পর যে মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেটিও শেষ হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের জন্য ভাইভা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

এর আগে সোমবার সকালে কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, সরকার ১৮০ দিনের ‘হানিমুন পিরিয়ড’ শেষ করেছে। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘কিউএস রেটিং উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যেই শুধু কেন করে? সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে কেন না? সেটা করলে আমরাও এগিয়ে থাকতাম।’

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পিএইচডি ডিগ্রি চালু না হওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন এতদিনে পিএইচডি ডিগ্রি চালু করতে পারল না? শেষ ২০ বছর মুখ বন্ধ করেছিলেন?’

মন্ত্রী বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনেক গবেষক রয়েছেন, যারা অন্য দেশের উন্নয়নে নিজেদের জ্ঞান কাজে লাগান। কিন্তু তাদের খুঁজে বের করতে না পারা দেশের ব্যর্থতা। এ বিষয়ে সরকার দৃষ্টি দিচ্ছে।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা সক্ষমতা বাড়ানো এবং মেধাবী গবেষকদের দেশে কাজে লাগানোর বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

হাই স্কুল-মাদরাসায় বড় নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার

Update Time : ০৫:৫৪:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

দেশের হাই স্কুল ও মাদরাসাগুলোতে প্রায় ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকায় একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘হাই স্কুল ও মাদরাসায় প্রায় ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। সেটা দেওয়ার আগে যাদের বিভিন্ন দূর-দূরান্তে পোস্টিং রয়েছে, তাদের ট্রান্সফারের ব্যবস্থা করছি। আজকালের মধ্যেই সেটা শুরু করতে যাচ্ছি। ট্রান্সফারের বিষয়টার পর আমরা নিউ রিক্রুটমেন্টের দিকে যাচ্ছি।’

বদলির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি চালু হওয়ার পর দেখা যাবে। এখনই এই প্রশ্ন কেন?’

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের অবসর ভাতা সারা দেশে সবাইকে দেওয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তুতিও মোটামুটি সব ক্ষেত্রেই শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকসংকট রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নেই। এ সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। পাবলিক স্কুলগুলোতে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের লিখিত পরীক্ষা শেষ করার পর যে মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেটিও শেষ হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের জন্য ভাইভা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

এর আগে সোমবার সকালে কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, সরকার ১৮০ দিনের ‘হানিমুন পিরিয়ড’ শেষ করেছে। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘কিউএস রেটিং উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যেই শুধু কেন করে? সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে কেন না? সেটা করলে আমরাও এগিয়ে থাকতাম।’

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পিএইচডি ডিগ্রি চালু না হওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন এতদিনে পিএইচডি ডিগ্রি চালু করতে পারল না? শেষ ২০ বছর মুখ বন্ধ করেছিলেন?’

মন্ত্রী বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনেক গবেষক রয়েছেন, যারা অন্য দেশের উন্নয়নে নিজেদের জ্ঞান কাজে লাগান। কিন্তু তাদের খুঁজে বের করতে না পারা দেশের ব্যর্থতা। এ বিষয়ে সরকার দৃষ্টি দিচ্ছে।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা সক্ষমতা বাড়ানো এবং মেধাবী গবেষকদের দেশে কাজে লাগানোর বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।