০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

স্বাধীনতার পর থেকে মন্ত্রিসভা ছাড়ার ইতিহাসে যাদের নাম

 

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ বা অপসারণের ঘটনা নতুন কিছু নয়। কেউ নিজ উদ্যোগে পদত্যাগ করেছেন, কেউ বিতর্ক বা দুর্নীতির চাপে, আবার কেউ প্রধানমন্ত্রী বা দলীয় প্রধানের নির্দেশে মন্ত্রিসভা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, প্রতিটি বড় রাজনৈতিক পালাবদলে বা বিতর্কিত ঘটনার প্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভায় রদবদল ঘটেছে। তবে সরকারি রেকর্ডে সবসময় ‘পদত্যাগ’, ‘মন্ত্রিসভা থেকে বাদ’ এবং ‘পদ হারানো’ বিষয়কে আলাদাভাবে স্পষ্ট করা থাকে না।

আওয়ামী লীগ

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের মন্ত্রিসভায় প্রথম উল্লেখযোগ্য পদত্যাগের ঘটনা ঘটে খন্দকার মোশতাক আহমেদের। ১৯৭১–৭২ সালে তিনি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করে দলীয় কাজে মনোনিবেশ করেন।

১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকারে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে পদ ছাড়তে দেখা যায়। এর মধ্যে আফসারউদ্দিন আহমদ (গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী) ঢাকার একটি বস্তি উচ্ছেদের ঘটনার পর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম যশোরে উদীচীর অনুষ্ঠানে বোমা হামলার গ্রেনেড নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে পদ ছাড়তে বাধ্য হন।

২০১২ সালে রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের একান্ত সচিবের মাইক্রোবাস থেকে ৭০ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। যাকে ‘রেলগেট কাণ্ড’ বলা হয়। এ ঘটনার পর তিনি রেলমন্ত্রীর পদ ছাড়েন। তবে পরদিনই তাকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়।

২০১৪ সালে কৃষিমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী হজ, তাবলিগ জামাত ও সজীব ওয়াজেদ জয় নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পর মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েন। আর ২০২১ সালে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিতর্কিত ভিডিও ও বক্তব্যের ব্যাপক সমালোচনার মুখে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

বিএনপি

১৯৯১–৯৬ মেয়াদে বিএনপির সরকারেও বেশ কয়েকজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। এর মধ্যে শিল্পমন্ত্রী জহিরউদ্দিন খান এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী নাজমুল হুদা অন্যতম।

২০০১–২০০৬ মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে পদত্যাগ করেন। ওই সময় জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে গাড়ি ঘুষ হিসেবে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তাকে পদত্যাগ করতে বলেন এবং ২০০৫ সালে তিনি তা করেন।

সর্বশেষ ১৯ অক্টোবর ইশরাক হোসেন সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। আগ্নেয়াস্ত্র হাতে তার মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিতর্ক তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী তাকে পদত্যাগ করতে বলেছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়।

তবে সংবাদ সম্মেলনে ইশকাক দাবি করেছেন তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছেন। অস্ত্রকাণ্ডের পক্ষে বলেছেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমি কোনো ভুল সেদিন করিনি। আমি কেবল আমার নিরাপত্তার জন্য আমার হাতে অস্ত্রটুকু যতটুকু সময় প্রয়োজন রেখেছিলাম, পরবর্তীকালে সেটি আর আমার দৃশ্যমান হয়নি।’

জাতীয় পার্টি

২০১৩ সালে জাতীয় পার্টির মন্ত্রীদের পদত্যাগের ঘটনাটি ছিল বেশ নাটকীয়। ওই বছর এরশাদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তার নির্দেশে দলটির মন্ত্রীরা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগপত্র দিতে বাধ্য হন।

এর মধ্যে ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রুহুল আমিন হাওলাদার, বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু এবং নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সালমা ইসলাম। এ ছাড়া রওশন এরশাদ, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও জিয়াউদ্দিন বাবলুকেও পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়, তবে তারা প্রথমে অনিচ্ছা দেখান।

এসব ঘটনায় পদত্যাগের নির্দেশ আসে দলীয় প্রধান এরশাদের পক্ষ থেকে। তবে সংবিধান অনুযায়ী পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর নিয়ম অনুসরণ করা হয়।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পদত্যাগকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ, জহিরউদ্দিন খান ও নাজমুল হুদা। বিতর্ক বা অভিযোগের চাপে পদত্যাগ করেছেন রফিকুল ইসলাম, মোশাররফ হোসেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও মুরাদ হাসান। আবার প্রধানমন্ত্রী বা দলীয় প্রধানের নির্দেশে পদত্যাগ করেছেন আফসারউদ্দিন আহমদ, মুরাদ হাসান এবং জাতীয় পার্টির মন্ত্রীরা।

একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর প্রায় ১৫ জন সংসদ সদস্য বা প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ৮ জন এবং বিএনপির ৭ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে অনেকেই মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ ও স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

স্বাধীনতার পর থেকে মন্ত্রিসভা ছাড়ার ইতিহাসে যাদের নাম

Update Time : ০৭:৪৫:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

 

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ বা অপসারণের ঘটনা নতুন কিছু নয়। কেউ নিজ উদ্যোগে পদত্যাগ করেছেন, কেউ বিতর্ক বা দুর্নীতির চাপে, আবার কেউ প্রধানমন্ত্রী বা দলীয় প্রধানের নির্দেশে মন্ত্রিসভা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, প্রতিটি বড় রাজনৈতিক পালাবদলে বা বিতর্কিত ঘটনার প্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভায় রদবদল ঘটেছে। তবে সরকারি রেকর্ডে সবসময় ‘পদত্যাগ’, ‘মন্ত্রিসভা থেকে বাদ’ এবং ‘পদ হারানো’ বিষয়কে আলাদাভাবে স্পষ্ট করা থাকে না।

আওয়ামী লীগ

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের মন্ত্রিসভায় প্রথম উল্লেখযোগ্য পদত্যাগের ঘটনা ঘটে খন্দকার মোশতাক আহমেদের। ১৯৭১–৭২ সালে তিনি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করে দলীয় কাজে মনোনিবেশ করেন।

১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকারে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে পদ ছাড়তে দেখা যায়। এর মধ্যে আফসারউদ্দিন আহমদ (গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী) ঢাকার একটি বস্তি উচ্ছেদের ঘটনার পর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম যশোরে উদীচীর অনুষ্ঠানে বোমা হামলার গ্রেনেড নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে পদ ছাড়তে বাধ্য হন।

২০১২ সালে রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের একান্ত সচিবের মাইক্রোবাস থেকে ৭০ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। যাকে ‘রেলগেট কাণ্ড’ বলা হয়। এ ঘটনার পর তিনি রেলমন্ত্রীর পদ ছাড়েন। তবে পরদিনই তাকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়।

২০১৪ সালে কৃষিমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী হজ, তাবলিগ জামাত ও সজীব ওয়াজেদ জয় নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পর মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েন। আর ২০২১ সালে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিতর্কিত ভিডিও ও বক্তব্যের ব্যাপক সমালোচনার মুখে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

বিএনপি

১৯৯১–৯৬ মেয়াদে বিএনপির সরকারেও বেশ কয়েকজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। এর মধ্যে শিল্পমন্ত্রী জহিরউদ্দিন খান এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী নাজমুল হুদা অন্যতম।

২০০১–২০০৬ মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে পদত্যাগ করেন। ওই সময় জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে গাড়ি ঘুষ হিসেবে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তাকে পদত্যাগ করতে বলেন এবং ২০০৫ সালে তিনি তা করেন।

সর্বশেষ ১৯ অক্টোবর ইশরাক হোসেন সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। আগ্নেয়াস্ত্র হাতে তার মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিতর্ক তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী তাকে পদত্যাগ করতে বলেছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়।

তবে সংবাদ সম্মেলনে ইশকাক দাবি করেছেন তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছেন। অস্ত্রকাণ্ডের পক্ষে বলেছেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমি কোনো ভুল সেদিন করিনি। আমি কেবল আমার নিরাপত্তার জন্য আমার হাতে অস্ত্রটুকু যতটুকু সময় প্রয়োজন রেখেছিলাম, পরবর্তীকালে সেটি আর আমার দৃশ্যমান হয়নি।’

জাতীয় পার্টি

২০১৩ সালে জাতীয় পার্টির মন্ত্রীদের পদত্যাগের ঘটনাটি ছিল বেশ নাটকীয়। ওই বছর এরশাদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তার নির্দেশে দলটির মন্ত্রীরা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগপত্র দিতে বাধ্য হন।

এর মধ্যে ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রুহুল আমিন হাওলাদার, বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু এবং নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সালমা ইসলাম। এ ছাড়া রওশন এরশাদ, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও জিয়াউদ্দিন বাবলুকেও পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়, তবে তারা প্রথমে অনিচ্ছা দেখান।

এসব ঘটনায় পদত্যাগের নির্দেশ আসে দলীয় প্রধান এরশাদের পক্ষ থেকে। তবে সংবিধান অনুযায়ী পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর নিয়ম অনুসরণ করা হয়।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পদত্যাগকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ, জহিরউদ্দিন খান ও নাজমুল হুদা। বিতর্ক বা অভিযোগের চাপে পদত্যাগ করেছেন রফিকুল ইসলাম, মোশাররফ হোসেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও মুরাদ হাসান। আবার প্রধানমন্ত্রী বা দলীয় প্রধানের নির্দেশে পদত্যাগ করেছেন আফসারউদ্দিন আহমদ, মুরাদ হাসান এবং জাতীয় পার্টির মন্ত্রীরা।

একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর প্রায় ১৫ জন সংসদ সদস্য বা প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ৮ জন এবং বিএনপির ৭ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে অনেকেই মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ ও স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।