০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

সোনাতলায় বাঙালি নদীতে নৌকা বাইচ দেখতে উপচে পড়া ভিড়

 

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার সোনাকানিয়ায় বাঙালি নদীতে নৌকা বাইচকে ঘিরে ছিলো দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) ঐতিহ্যবাহী এ বাইচ দেখতে নদীর দুই পাড়ে ভিড় করেন নানা বয়সী মানুষ। ঢাক-ঢোল, করতালি আর দর্শকদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে নদী তীরের পরিবেশ। নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর আবহ। এমনকি নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে মেলা বসে।মানচিত্র দেখুন

২ দিনব্যাপী নৌকা বাইচ খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলার সোনাকানিয়ায় নদীর দু’ধারে প্রায় ৩-৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে হাজার হাজার বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ দুপুরের পর থেকে অটো, সিএনজি, মোটর সাইকেল, ভ্যানগাড়িযোগে ওই নদীর তীরে ভীড় করতে দেখা গেছে। নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে মেলা বসেছে। ওই মেলায় হরেক রকমের দোকানীরা তাদের পসরা সাজিয়ে বেচা-কেনা করে।

নৌকা বাইচ বাংলার লোকজ সংস্কৃতি ও গ্রামীণ ঐতিহ্যের অন্যতম আকর্ষণীয় আয়োজন। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় টেনে দ্রুতগতিতে নৌকা চালানোর দৃশ্য দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উত্তেজনা সৃষ্টি করে। সোনাকানিয়ার বাঙালি নদীতে নৌকা বাইচ দেখতে আসা মানুষের ভিড়েও সেই ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটে।

প্রতিযোগিতায় মোট ৪টি নৌকা অংশ নেয়। অংশ নেওয়া নৌকাগুলো নদীর বুকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের উচ্ছ্বাস বাড়তে থাকে। মাঝিদের ছন্দময় দাঁড় টানা, নৌকার গতি এবং জয়ী হওয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতা পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। পছন্দের নৌকাকে উৎসাহ দিতে দর্শকেরা করতালি ও উল্লাসে মেতে ওঠেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও অনেক মানুষ নৌকা বাইচ দেখতে আসেন। শিশু-কিশোর, তরুণ, নারী ও বয়স্কদের উপস্থিতিতে নদীর দুই পাড় যেন মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে এ ঐতিহ্যবাহী খেলা উপভোগ করেন।

কেউ কেউ স্মৃতি ধরে রাখতে মুঠোফোনে প্রতিযোগিতার ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। এ বিষয়ে আয়োজক কমিটির সভাপতি এড. জাহিদুল ইসলাম মুন্নু বলেন, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ খেলা দিয়ে দর্শকদের একটু হলে মনের খোড়াক মেটানো সম্ভব হয়েছে।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

সোনাতলায় বাঙালি নদীতে নৌকা বাইচ দেখতে উপচে পড়া ভিড়

Update Time : ০৭:০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

 

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার সোনাকানিয়ায় বাঙালি নদীতে নৌকা বাইচকে ঘিরে ছিলো দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) ঐতিহ্যবাহী এ বাইচ দেখতে নদীর দুই পাড়ে ভিড় করেন নানা বয়সী মানুষ। ঢাক-ঢোল, করতালি আর দর্শকদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে নদী তীরের পরিবেশ। নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর আবহ। এমনকি নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে মেলা বসে।মানচিত্র দেখুন

২ দিনব্যাপী নৌকা বাইচ খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলার সোনাকানিয়ায় নদীর দু’ধারে প্রায় ৩-৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে হাজার হাজার বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ দুপুরের পর থেকে অটো, সিএনজি, মোটর সাইকেল, ভ্যানগাড়িযোগে ওই নদীর তীরে ভীড় করতে দেখা গেছে। নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে মেলা বসেছে। ওই মেলায় হরেক রকমের দোকানীরা তাদের পসরা সাজিয়ে বেচা-কেনা করে।

নৌকা বাইচ বাংলার লোকজ সংস্কৃতি ও গ্রামীণ ঐতিহ্যের অন্যতম আকর্ষণীয় আয়োজন। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় টেনে দ্রুতগতিতে নৌকা চালানোর দৃশ্য দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উত্তেজনা সৃষ্টি করে। সোনাকানিয়ার বাঙালি নদীতে নৌকা বাইচ দেখতে আসা মানুষের ভিড়েও সেই ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটে।

প্রতিযোগিতায় মোট ৪টি নৌকা অংশ নেয়। অংশ নেওয়া নৌকাগুলো নদীর বুকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের উচ্ছ্বাস বাড়তে থাকে। মাঝিদের ছন্দময় দাঁড় টানা, নৌকার গতি এবং জয়ী হওয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতা পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। পছন্দের নৌকাকে উৎসাহ দিতে দর্শকেরা করতালি ও উল্লাসে মেতে ওঠেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও অনেক মানুষ নৌকা বাইচ দেখতে আসেন। শিশু-কিশোর, তরুণ, নারী ও বয়স্কদের উপস্থিতিতে নদীর দুই পাড় যেন মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে এ ঐতিহ্যবাহী খেলা উপভোগ করেন।

কেউ কেউ স্মৃতি ধরে রাখতে মুঠোফোনে প্রতিযোগিতার ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। এ বিষয়ে আয়োজক কমিটির সভাপতি এড. জাহিদুল ইসলাম মুন্নু বলেন, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ খেলা দিয়ে দর্শকদের একটু হলে মনের খোড়াক মেটানো সম্ভব হয়েছে।