বগুড়ার শেরপুর উপেজলা নিবার্হী অফিসার (ইউএনও) মো: সাইদুজ্জামান হিমু বলেন তিনি শেরপুরে যোগদানের পর পরই এক মাদ্রাসা শিক্ষক আমার দপ্তরে এলেন একটি কাজে। আলাপের একপর্যাযে় তিন বললেন, তাঁর একটি ছোট্ট পাঠাগার রয়েছে। যেখানে নিয়মিত কোমলমিত শিশু/কিশোররা বই নিতে আসে, পরম আগ্রহে বই পডে়। প্রচলিত ধারণার বাইরে এসে একজন মাদ্রাসা শিক্ষেকর বই পড়ার প্রতি এই অনুরাগ আর আলোকবর্তিকা ছড়ানোর প্রয়াস আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করল।
কৌতূহল আর ভালোলাগা থেকেই হাজির হলাম সীমাবাড়ি ইউনিয়নের সেই নূর মোহাম্মদ স্মৃতি পাঠাগারে । গিযে় দেখলাম, ছোট একটি ঘরেই বেশ দারুণ কিছু বইয়ের সংগ্রহ! নিজ দাযি়ত্বেই তিন চারপাশে জ্ঞানের আলো ছড়ানোর অনন্য এক উদ্যোগ নিযে়ছেন। সেদিনই তাঁকে কথা দিযে় এসেছিলাম আপনার এই ভালোবাসার পাঠাগারটিকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমি পাশে থাকব; পরিসর বৃদ্ধি, নতুন আলমারি ও নতুন বইয়ের ব্যবস্থা আমি করব।
অবেশেষ সেই কথাটি রাখতে পেরে মনটা এক অদ্ভুত তৃপ্তিতে ভরে গেল। পাঠাগারের ছোট্ট ঘরটিকে প্রায় দ্বিগুণ আয়তেন রূপান্তর করে মেঝে পাকাকরণ করা হযে়ছে। সেই সাথে যুক্ত হযে়ছে তিনটি নতুন সুন্দর বইযে়র আলমারি এবং বেশ কিছু নতুন বই।
শেরপুর উপেজলা নিবার্হী অফিসার মো: সাইদুজ্জামান হিমু গত ১৬ সেপ্টম্বর সীমাবাড়ির নূর মোহাম্মদ স্মৃতি পাঠাগার পরিদর্শন করেছেন। পাঠাগারটিতে বইয়ের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার। বিনামূল্যে নাম রেজিস্ট্রি করে শিক্ষার্থীরা বই নিতে পারে সাত দিনের জন্য। আসলে সমাজে যাঁরা এভাবে নি:শব্দে ও নি:স্বার্থভাবে জ্ঞানের আলো ছডি়যে় যাচ্ছেন, তাঁদের পথচলাকে সুগম করাও আমাদের দাযি়ত্ব। আলো ছড়ানোর এই পথ ধরে এগিযে় যাক আমাদের আগামী প্রজন্ম!বই পড়ি আলোকিত জীবনগড়ি।
শেরপুর নিউজ প্রতিবেদকঃ 
















