০৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ায় ক্লিনিকের ৬০ হাজার ও ভুয়া ডাক্তারের লাখ টাকা জরিমানা

বগুড়া শহরের শেরপুর রোডস্থ মডার্ন ডায়াগনস্টিক এন্ড ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ৬০ হাজার টাকা এবং এক ভুয়া ডাক্তারের ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানে কোনো ডিউটি ডাক্তার ও প্রয়োজনীয় রেজিস্ট্রার্ড নার্স উপস্থিত নেই। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সন্তোষজনক নয় এবং ল্যাবরেটরির পরীক্ষার রিপোর্ট সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় রেকর্ডও পাওয়া যায়নি। এসব অনিয়মের দায়ে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রতিষ্ঠানটিকে ৬০ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই অভিযানে এনামুল হক নামের এক ব্যক্তি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলে নিবন্ধন ছাড়াই এলোপ্যাথি চিকিৎসা প্রদান, অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব এবং বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা প্রদান করছিলেন বলে প্রমাণিত হয়। এ অপরাধে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ অনুযায়ী তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজাদ। তাকে সহযোগিতা করে বগুড়া সিভিল সার্জন অফিস ও জেলা পুলিশ।
Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিতীয় দফায় দেশব্যাপী ৩৪ লাখ শিশুকে হামের টিকাদান শুরু

বগুড়ায় ক্লিনিকের ৬০ হাজার ও ভুয়া ডাক্তারের লাখ টাকা জরিমানা

Update Time : ০৬:২৫:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
বগুড়া শহরের শেরপুর রোডস্থ মডার্ন ডায়াগনস্টিক এন্ড ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ৬০ হাজার টাকা এবং এক ভুয়া ডাক্তারের ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানে কোনো ডিউটি ডাক্তার ও প্রয়োজনীয় রেজিস্ট্রার্ড নার্স উপস্থিত নেই। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সন্তোষজনক নয় এবং ল্যাবরেটরির পরীক্ষার রিপোর্ট সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় রেকর্ডও পাওয়া যায়নি। এসব অনিয়মের দায়ে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রতিষ্ঠানটিকে ৬০ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই অভিযানে এনামুল হক নামের এক ব্যক্তি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলে নিবন্ধন ছাড়াই এলোপ্যাথি চিকিৎসা প্রদান, অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব এবং বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা প্রদান করছিলেন বলে প্রমাণিত হয়। এ অপরাধে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ অনুযায়ী তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজাদ। তাকে সহযোগিতা করে বগুড়া সিভিল সার্জন অফিস ও জেলা পুলিশ।