বগুড়া মহানগরের বিভিন্ন স্থানে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়েছে। প্রায়ই বাড়িতে চুরি ও সড়কে ছিনতাই হচ্ছে। এমনকি দিনের বেলাতেও বিভিন্ন বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটছে। চলতি বছরের জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গত চার মাসে ১৭টি চুরি ও ৫টি ছিনতাই (দস্যূতা) এর ঘটনায় সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের এক পরিসংখান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
চলতি অক্টোবর মাসেও চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা থেমে নেই। গত ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বগুড়া মহানগরের ঠনঠনিয়া হাজিপাড়ায় দৈনিক করতোয়ার গাড়ি চালক রাজা শাহ’র বাড়িতে চুরি হয়েছে। চোরের বাড়ির দরজার তালা ভেঙ্গে শয়ন কক্ষের ভিতরে প্রবেশ করে আলমারির ড্রয়ার ভেঙ্গে ২৫ হাজার টাকা ও ১০ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড ও ব্যাংকের প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র চুরি করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়া এর আগে গত ১৩ অক্টোবর মহানগরের জামিলনগরে অধুনালুপ্ত বগুড়া পৌরসভার সাবেক কর্মচারী ইন্তজার রহমানের টিনসেড বাড়িতে চুরি সংঘটিত হয়। চোরেরা বাড়ির জানালার গ্রীল কেটে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে ট্রাংকের (বাক্স) এর তালা ভেঙ্গে জমানো ২০ হাজার টাকা ও একটি ৩২ ইঞ্চি স্মার্ট এলইডি টিভি এবং অন্যান্য মূল্যবান তৈজসপত্র চুরি করে নিয়ে গেছে। এব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে, সপ্তাহ দুয়েক আগে ভোররাতে মহানগরের মালতিনগর দক্ষিনপাড়ায় দৈনিক করতোয়ার কম্পিউটার ইনচার্জ মো. আলমগীর জলিলের বাড়িতে চুরি সংঘটিত হয়েছে। চোরেরা তার বাড়ি থেকে বৈদ্যুতিক সংযোগের ৬০ ফুট লম্বা তামার তার চুরি করে নিয়ে গেছে।
অনুসন্ধান করে জানা গেছে, শুধু এই তিনটি এলাকায় চুরির ঘটনাই নয়, মহানগরের মালগ্রাম, সেউজগাড়ী, সবুজবাগ, পুরান বগুড়া, খান্দার, নারুলি, নাটাইপাড়ায়, দত্তবাড়ি, চেলোপাড়া, ফুলবাড়ি, সুলতানগঞ্জপাড়া, বৃন্দাবনপাড়া, উপ-শহর, চকসুত্রাপুর ও বাদুড়তলা ও পালশাসহ বিভিন্নস্থানে বাড়ি, দোকান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রায়ই ছিচকে চুরির ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে,এক শ্রেনির ভাংড়ি ব্যবসায়ী কিশোর যুবকসহসহ বিভিন্ন বয়সী চোরদের লালন পালন করে। চুরির আগে রাতের প্রথমভাগে তাদের হাতে নাস্তার টাকা দিয়ে ছেড়ে দেয়। এরপর সারারাত ওই চোরেরা বিভিন্ন স্থানে চুরি করে চোরাই মালমাল নিয়ে ভোরে চলে আসে ভাংড়ি দোকানগুলোতে। তারা তাদের কাছে চোরাই মালামাল বিক্রি করে।
শেরপুর নিউজ প্রতিবেদকঃ 






















