০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

চিকিৎসাসেবায় এআই ব্যবহারের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

 

চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়ন ও রোগীদের সহজে সেবা নিশ্চিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

তিনি বলেছেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার পাশাপাশি চিকিৎসা খাতে নিজেদেরও নতুন নতুন উদ্ভাবন করতে হবে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর নীলক্ষেতে জাতীয় উন্নয়ন ও পরিকল্পনা একাডেমিতে (এনএপিডি) বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ১৩৮তম ও ১৩৯তম বিশেষ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দুই কোর্সে মোট ৮০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।

ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জিনোমিক্স, রোবোটিক সার্জারি, টেলিমেডিসিন, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে বিশ্ব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে কী ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

তবে শুধু বিশ্বের অগ্রগতি অনুসরণ করলেই চলবে না, নিজেদেরও নতুন কিছু উদ্ভাবন করতে হবে। প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, একজন সরকারি চিকিৎসক কর্মজীবনে নতুন কোনো চিকিৎসাপদ্ধতি, স্বাস্থ্যসেবার মডেল, ডিজিটাল সমাধান কিংবা ব্যবস্থাপনায় উদ্ভাবন আনতে পারলে তার সুফল একটি হাসপাতালের গণ্ডি ছাড়িয়ে কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, এমন এক সময়ে চিকিৎসকেরা স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশ করছেন, যখন বিশ্বজুড়ে এ খাতে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ও ওষুধের ব্যবস্থাপত্র তৈরিতে এআই নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।

রোবোটিক প্রযুক্তি অস্ত্রোপচারকে আরো নিখুঁত করছে। অন্যদিকে জিনোমিক্সের অগ্রগতি ব্যক্তির শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসার সুযোগ তৈরি করছে।
তিনি চিকিৎসকদের মধ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা, গবেষণা করা এবং তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার মান বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণের পাশাপাশি কাজের সফলতা ও ব্যর্থতা—দুটিই বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় শিক্ষা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

Tag :

সম্পাদক ও প্রকাশক: প্রভাষক নাহিদ আল মালেক, মুঠোফোন ০১৭১২ ২৬৬৩৭৪

উপদেষ্টা সম্পাদক: আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ,মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৫৬৫

সহকারি সম্পাদক: আশরাফুল আলম পুরণ, মুঠোফোন ০১৭১১ ১৯৭৬৭৯

সম্পাদক কৃর্তক শান্তিনগর (টাউনকলোনী),শেরপুর,বগুড়া থেকে প্রকাশিত।

কার্যালয়: সাইফুল বারী কমপ্লেক্স, শান্তিনগর (টাউনকলোনী) শেরপুর ৫৮৪০, বগুড়া।
ইমেইল:

ই মেইল: sherpurnews2014@gmail.com

About Author Information

চিকিৎসাসেবায় এআই ব্যবহারের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

Update Time : ০৬:১০:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

 

চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়ন ও রোগীদের সহজে সেবা নিশ্চিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

তিনি বলেছেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার পাশাপাশি চিকিৎসা খাতে নিজেদেরও নতুন নতুন উদ্ভাবন করতে হবে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর নীলক্ষেতে জাতীয় উন্নয়ন ও পরিকল্পনা একাডেমিতে (এনএপিডি) বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ১৩৮তম ও ১৩৯তম বিশেষ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দুই কোর্সে মোট ৮০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।

ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জিনোমিক্স, রোবোটিক সার্জারি, টেলিমেডিসিন, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে বিশ্ব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে কী ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

তবে শুধু বিশ্বের অগ্রগতি অনুসরণ করলেই চলবে না, নিজেদেরও নতুন কিছু উদ্ভাবন করতে হবে। প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, একজন সরকারি চিকিৎসক কর্মজীবনে নতুন কোনো চিকিৎসাপদ্ধতি, স্বাস্থ্যসেবার মডেল, ডিজিটাল সমাধান কিংবা ব্যবস্থাপনায় উদ্ভাবন আনতে পারলে তার সুফল একটি হাসপাতালের গণ্ডি ছাড়িয়ে কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, এমন এক সময়ে চিকিৎসকেরা স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশ করছেন, যখন বিশ্বজুড়ে এ খাতে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ও ওষুধের ব্যবস্থাপত্র তৈরিতে এআই নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।

রোবোটিক প্রযুক্তি অস্ত্রোপচারকে আরো নিখুঁত করছে। অন্যদিকে জিনোমিক্সের অগ্রগতি ব্যক্তির শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসার সুযোগ তৈরি করছে।
তিনি চিকিৎসকদের মধ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা, গবেষণা করা এবং তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার মান বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণের পাশাপাশি কাজের সফলতা ও ব্যর্থতা—দুটিই বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় শিক্ষা নেওয়ার পরামর্শ দেন।